...ইতিহাস, রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে মোহভঙ্গ নেতিবাচক কোনো ঘটনা নয়। নতুন করে ভেবে দেখা, প্রশ্ন তোলা ও নিজস্ব অবস্থান পুনর্নির্মাণের সুযোগ তৈরি হয় এর ফলে। আমাদের এই মোহগ্রস্ত হওয়া ও মোহভঙ্গের বেদনা এভাবে কতদিন চলবে তা আমার জানা নেই। নতুন চরিত্র ও ভাবধারা এবং আবারো নতুন কোনো মোহের আবির্ভাব ঘটতে থাকবে অন্তহীন;—এই বিষয়ে অন্তত আমার মনে কোনো সংশয় নেই!
-
-
কুয়াশাভোরে— / পৃথিবী যেন স্বপ্নে / খামখেয়াল।
-
এই ধামাইল গানের নাচে যে-শৈল্পিক দুরন্তপনা ও তেজোদীপ্ত ভাব রয়েছে, আমি তা অন্য কোনো নৃত্যগীত নির্ভর গানে এতটা মূর্ত ও জীবন্ত দেখিনি! ঘুমভাঙা চোখ মুহূর্তে চনমনে নেশায় পড়ে যায়! মনে হয় কিছু কিছু গান যেন নাচকে প্রাধান্য দেওয়ার খেয়াল থেকে পদকর্তারা তৈরি করেছেন। যেখানে, তাঁদের গুরুর নামধাম অজ্ঞাত। লোকনৃত্যের অমূল্য এই রতনকে তাই সময় থাকতে সংরক্ষণ করা জরুরি।
-
এরকম কিছু পঙক্তি আলোর রোশনাই হয়ে বইটিকে দ্যুতি দিয়েছে। নাজমুল হক নাজুর ভাষানির্মাণ জটিল নয়। সরল-সংযত এক ভাষাপৃথিবীতে বসে কবিতাগুলো লিখেছেন কবি। চিত্রকল্পে ভাবালুতার প্রয়োগ চোখে পড়বে। উৎপ্রেক্ষা-রূপক ও উপমারা মিলে ধ্রুপদি এক আমেজ যেন এভাবে পাঠককে উপহার দিতে চেয়েছেন। গতিপথের এই সহজযাত্রা মনের দরজায় কড়া নেড়ে যায়।
-
নিজেকে গড়েপিটে নেওয়া আমাদেরকে দিয়ে হয়ে ওঠেনি। বাচ্চাগুলোকে গড়েপিটে নেওয়ার দায় তাই আমাদের মধ্যে গভীর নেই এখন। দোজখে ঠাসা ধরায় জেন-জিগুলো অবিকল আমাদের নকল! দমবদ্ধ এক খাঁচায় আমরা নিজেকে পিষে মারছি। বাচ্চাগুলো সেখানেই জন্ম নেওয়ার কারণে আবর্জনায় পরিণত হওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ভবিষ্যৎ তারা পাবে কোথায়!