সেদিন, পিতার হাত ধরে চেরাপুঞ্জি হয়ে মেঘালয় পাড়ি দিয়েছিলাম।/ শিলং হয়ে গৌহাটি ছুঁয়ে আসামের হাইলাকান্দি রতনপুর স্ট্রিট.../ পৃথিবীর মাঠে মাঠে তখন নেমে এসেছিল গভীরতম এক অন্ধকার,/ এবং মনে হয়েছিল এর চেয়ে বেশ ছিল মায়ের জঠরে রাত্রির মঠ...
-
-
দু’চোখ আটকে আছে আমার ঐ ঘুঙুরে। মাঝে মাঝে আঁতকে উঠি আমি। এই বুঝি পায়ের নিচে চাপা পড়ে ওটা! বাজনার তালে তালে দ্রুত হয় ওর পায়ের ছন্দ আর আমার বুকের কাঁপুনি। মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাতে পারি না ওখান থেকে।
-
রোনালদোর অভিধানে এরকম মেসিতে মসিময় ‘আবেগ’ দর্শক কখনো দেখেছে বলে আমার অন্তত অজানা। ‘আবেগ’কে সম্ভবত ভিতরে গুম করে মাঠে নামে সিআর সেভেন। নিজের স্ট্রাগলকে পারতপক্ষে সামনে আনে না। মুখের রেখা দেখে বোঝার উপায় থাকে না এই লোকটা মাঠে খেলতে নেমে চোখের আসু কবে বা কোনোদিন মুছেছিল কি-না!
-
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি কখনও-কখনও গভীর প্রেম নয়, বরং এমন একজন মানুষের অস্তিত্ব, যে-আন্তরিকভাবে তার খোঁজ রাখছে;—এই সত্যটাই কবিতার কেন্দ্রীয় বক্তব্য।
-
ডেভিড হকনির এই রং কিন্তু অপ্রাকৃতিক লাগে দেখে! আমাদের দেখা রংয়ের মতো নয়। হতে পারে, ওটাই প্রকৃত রং আসলে! যা কেবল আঁকিয়েরা দেখতে পায়। হকনি স্মরণে থাকবেন, এবং তা এজন্যও,—তাঁর কাজের ধারা অন্যসব মহান শিল্পীর মতোই প্রাঞ্জল কিন্তু গভীরজটিল। একবার দেখার পর ফিরে দেখার তৃষ্ণা তীব্র থেকে যায়।