এখানে রইল বিশ্বকাপের মাসজুড়ে প্রকাশিত রচনা নিয়ে ‘ওয়ান লাস্ট ডান্স’ শিরোনামের এই বিশেষ আয়োজন। এ-পর্যন্ত প্রকাশিত রচনা পাঠ করতে সংযুক্ত ছবি অথবা লেখার লিংকে চাপুন। আর, আজকের মহারণে বিজয়ী দলের জন্য রইল আগাম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
-
-
ক্যানভাসে ছবি অনেকভাবে আঁকা যায়। সবটাই ক্লোদ মনে বা সালভাদর দালির মতো হওয়া জরুরি নয়। একটা ‘মান’ এভাবে চাপানোর মধ্যে বরং ‘পুনরাবৃত্তি’র বিপদ লুকিয়ে থাকে। যারা ‘সুন্দর শৈল্পিক ফুটবল’ বলে হামেশা চিল্লান, তারা হয়তো ‘জোগো বনিতা’য় এমনভাবে আটকা পড়েছেন,—আজো সেই খোঁয়ারি কাটছে না তাদের!
-
বাংলাদেশ এখনো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তবে মানুষের মধ্যে ফুটবল নিয়ে তীব্র আবেগ থাকায় দেশে বিপুল পরিমাণ মৌসুমি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পলিলক্ষিত হয়। জার্সি, পতাকা, ব্যানার তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। বড়ো পর্দায় খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী প্রচার, ডিজিটাল ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিশেষ প্যাকেজ দেশে শত শত কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রবাহ তৈরি করে।
-
সেদিন তার মুখের দিকে উত্তরবাণ ছুঁড়ে দিয়েছিলাম :—রবির গালে য'গাছি চুল (চুল না-বলে চুলের হিন্দি প্রতিশব্দ ব্যবহার করেছিলাম) আছে, তারচেয়ে বেশি হবে তাঁর লেখা। আমি বড়োজোর তাঁর কোনও একটি লেখার সমালোচনা করতে পারব, কিন্তু তাঁর বিরোধিতা করা ও একবাক্যে খারিজ করার জ্ঞান আমার আজও হয়নি!
-
ষড়যন্ত্র তত্ত্বটাকে তিনি নিয়েছেন এটা প্রতিষ্ঠার জন্য,—৪৩২ হচ্ছে সেক্রেড বা পবিত্র। এখন এ-নিয়ে একশো মুনির একশো মত আছে ভাই। সুরের টেস্ট শ্রোতাভেদে ভিন্ন হবে। যুগভেদে তা এক থাকবে না কখনো। যে-কারণে ৪৪০ হার্টজ দিয়ে সুরকে প্রাকৃতিক সুরসংগতি বা হারমোনি থেকে ভিন্নদিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে;—মতটি আমার কাছে যথার্থ মনে হয় না।