পেইনটা এখানে-যে,—নিজের গঠন ও অবয়বে হোটেলটি যেসব পূর্বস্মৃতি বা পূর্বজন্মের অনুভূতি সরবরাহ করছে, সেখানে কোনো বাছবিচারের জায়গা নেই। ভালোমন্দ সবটাই হোটেলে ঘূর্ণির মতো ঘটে চলে। এমন এক ফাঁদ এই হোটেল, যেখানে প্রবেশের পর বেরুনোর পথ খুঁজে পায় না কেউ! হোটেলটি হয়ে ওঠে ভূতুড়ে ও রহসময়! জীবন সেখানে স্পন্দিত, কিন্তু তা কি জীবন, নাকি জীবনের মিম?—প্রশ্নের উত্তরটা ঝাপসাই থাকে গানে!
-
-
এভাবে ব্ৰহ্মাণ্ড-বিজ্ঞানকে কবিতায় আনলেন মাত্র কয়েকটি শব্দে। মানুষের চলাচলের তুলনায়। আমাদের জন্ম স্থিতি লয় মাত্র কয়েক বছরের। মহাবিশ্বের উপকরণের জন্ম স্থিতি লয় লক্ষ কোটি বছরের। সময়ের ব্যবধান থাকলেও জন্ম পরে যাত্রা যেন এক। সেই অকল্পনীয় চিন্তাচেতনায় কলম চালিয়েছেন জীবনানন্দ। সময়ের থেকে বহু বহু এগিয়ে থাকা নির্জনতম বলে আখ্যায়িত এক কবি।
-
একটু পরেই অসিতরা শুনে দুটি নয়, এখন কেবল একটি বাঁশির সুর ভেসে আসছে। অকল্পনীয় সে সুরসুধা পলেপলে জীবনকে তুচ্ছ করে। পতঙ্গের মতো পুড়ে মরতে সাধ জাগায়। সেই সুরের গভীর মন্ত্রণায় চারপাশের সব জড়-জীব যেন নৃত্য শুরু করেছে।
-
আমরা আমাদের কুড়ি বা বাইশে, ঠিক ততটাই আত্মকেন্দ্রিক, ততটাই আত্মরতিময়, নার্সিসিস্টিক, যা দিয়ে নিজেকে প্রেমের ট্র্যাজেডির নায়িকা বানানো চলে… আমরা ততটাই ছিলাম অন্ধ, ততটাই কাব্য-কাব্য, যাতে বারবার হৃদয় ভেঙে ফেলা চলে।
-
কতদিন হয়ে গেল/ আমার শহর ঘুমায় না।/ রাত-গভীরেও/ জানালাগুলো খোলা রাখে,/ যেন কেউ হঠাৎ আসবে ফিরে।