রূপান্তরের দিকে শুরু হয়ে যাওয়া রাত—শরীর চুঁয়ে পড়ছে পাখির ঠোকর, জন্তুজানোয়ারের লালা; ভোরের দিকে সূর্যশক্তিতে বিনত প্রণাম—নিচুনত জানুতলে একটি স্ত্রী-পদছাপ, ওখানেই জড়ো আছে জন্মহীন পুরুষের কাঁপা না-কাঁপা বীর্যের সুঘ্রাণ।
-
-
—‘বাহ!’ তোমার কণ্ঠে অবিশ্বাস ফুটে বেরোয়,—‘আপনি বলতে চাইছেন আমিই ঈশ্বর?’ —‘না। এখনো নয়। তুমি একটা ভ্রূণ। এখনো বেড়ে উঠছো। একবার যখন সকল সময়জুড়ে যাপিত প্রতিটা মানুষের জীবন তুমি যাপন করবে, তখন তুমি যথেষ্ট পরিমাণে আমি হওয়ার মতো প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠবে।’
-
...ব্যক্তিগত বা পরিবার নয়, কাজটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তাঁরা করেন। ভাবনাটি এখানে এতটাই গভীর ও আন্তরিক-যে, ‘হুদুম’ বা ‘জলাইশরি’কে আহবান করতে নগ্ন হয়ে নাচের আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলতে নারীরা পিছপা হন না! গান চলে—‘হিলহিলাইছে কোমরটা মোর, শিরশিরাইছে গাও’।
-
মানুষ নতুন ভাষা সৃষ্টি করে/ নতুন সূর্যের মানচিত্র আঁকে/ মৃতদের স্মৃতি সিলিকনে সংরক্ষণ করে।/ দেবতারা তখন নিজেদের অবসরের আবেদন লেখেন।
-
জানালার ওপারে দাঁড়িয়ে নিজেকেই দেখছে মানুষ/ মুখহীন চোখে অসংখ্য পৃথিবীর মতো। সেই কবে বলেছিলে — রক্তেরও স্মৃতি থাকে।ডালিম কাটলে ছুরির ফলায় ফোটে যুদ্ধের নকশা, ছিন্নচিঠি যেন মেলায় হারানো লাল ঘুড়ি।