• পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    কতিপয় হাইকু : সুমন বনিক

    নজিরগুলো এ-কারণে পেশ করা,—কবিতা বিরচণের আঙ্গিক রূপে হাইকুকে জাপানি কেতা থেকে বেরিয়ে অন্যভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। এরকম ‘হাইকু’ যদি লিখতে পারেন কিছু,—আমার মনে হয় অভিজ্ঞতা খারাপ মনে হবে না নিজের কাছে। যাপনকে নির্গলিত করা, দহনকে টেনে বের করে আনার স্পেস সেখানে হাইকু আপনাকে দিতে কৃপণতা করবে না।

  • পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    রবির বিশ্বযোগ : উইলিয়াম রাদিচের সঙ্গে কথালাপ-১ : কামাল রাহমান

    ... আমি জানি না,—‘গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।’ এর মূল সুরটিকে কীভাবে অনুবাদে আনা সম্ভব! অনুবাদে ‘স্যাড’ শব্দটি এনেছেন, কবিতাটি দুঃখের নয়, কিছুটা বিষাদের, আবার চূড়ান্ত হতাশারও নয়, ... নাহি ভরসা, অর্থাৎ আপনি রিলাই করতে পারছেন না,—দুঃখ ও বিষাদের পার্থক্য ইংরেজিতে কীভাবে প্রকাশ করবেন জানি না, বাংলা কবিতাটি পড়ার পর আপনার ভেতরে যে-বোধ কাজ করে, অনুবাদটি পড়ার পর, অনুবাদক নয়, পাঠক হিসেবে একই বোধ কী আপনার ভেতর কাজ করে?

  • পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    জীবনানন্দ, তোমাকে ভেবে-৪ : হেলাল চৌধুরী

    এখনও তোমার বিষণ্ণ মহৎ/ পড়ে আছে মানুষের শরীরে সূর্যালোকে/ আজও তোমার নীলিমার সীমাহীন ভ্রান্তিবিলাস দেখি/ মানুষেরই পিঠে এখনও তোমার ভয়াবহ পৃথিবী ঘোরে।

  • পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    লেখা কি মনোরঞ্জন?

    সুনীল-শীর্ষেন্দু-সমরেশরা যদি পরপর পাঁচটা লেখেন, তার চারটা দায় পূরণের খাতিরে তাঁদেরকে লিখতে হয়েছে, একটা-যে এর মধ্য দিয়েও বেরিয়ে আসেনি তা কিন্তু নয়। কমলকুমারের সঙ্গে পার্থক্য,—তিনি এই চাপ বুঝেশুনেই ঘাড়ে নেননি। মর্জিমতো লিখছেন। ছাপানো দরকার মনে হলে ছোটকাগজে ছেড়ে দিয়েছেন। লেখনক্রিয়াকে এভাবে উপভোগ করছেন কমলকুমার। সুনীলরা ওই কাজটা বড়ো পাঠকবৃত্তের খোরাক মিটাতে লাগাতার লেখা সরবরাহ করার মধ্য দিয়া সারছিলেন। প্রেক্ষাপট সুতরাং ভিন্ন। বৃত্ত ভিন্ন। এবং, এ-কারণে পাঠকের ‘মনোরঞ্জনের’ জন্য একটি অক্ষর কমলকুমার মজুমদার লেখেননি টাইপের কথাবার্তা এক্সপাঞ্জ করা উচিত। 

  • পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    জীবনানন্দ, তোমাকে ভেবে-৩ : হেলাল চৌধুরী

    আমিও তোমার অন্ধকার সমুদ্রের মতন/ তিমির দেখি; উদীচীরে চেয়ে হাঁটি/ দেখি, চারিদিকে হনলুলু সাগরের ঢেউ/ আমরা তো চেয়ে আছি তাই/ এখনও তোমার তিমির হননের গান/ ভালোবেসে...