বাটালিপাহাড়ের প্রাচীনবৃক্ষের পক্ষীরা বংশপরম্পরায় জেনেছে একদা এখানে শেকড়- গোড়ায় বসে বাঁশি বাজাত সুচরিত চৌধুরী; যার বাঁশির ধ্বনিতে আনন্দিত দশদিক এমনকি পক্ষীকুলেও বেড়ে যেত কোলাহল। কিংবদন্তির এইসব বয়ান এখনো ভাসমান বন্দরনগরীর পথে পথে...
-
-
গোয়ালে বাঁধা সৌখিন বলদের মতো কাটা ঘাস খেয়ে শ্রেষ্ঠ ধেনু হয়ে পালের গাভীর সাথে হুংগাহুংগির৯ ভালোবাসা তার ভালো লাগে না। সে অমরসঙ্গী হয়ে সংসারী। মেলা থেকে আলতা কিনে প্রাণপতি হয় না, বরং বউকে মেলায় নিয়ে যায়, নিজের হাতে আলতা পড়ায় পায়ে। বউকে নিয়ে মিলেমিশে মহানন্দে একবার রান্না করে পরমানন্দে দুইবেলা খায়। আজ শেখদিলের কপালে সেই সুযোগ জোটেনি!
-
তাঁর মতো আবেগ দিয়ে ফুটবলটা এভাবে কেউ খেলেনি কখনো। না শাসন করেছে একটা গোট দশক। এই মারাদোনা দস্তয়েভস্কির পাপী সন্ত চিরকাল। সে বোদলেয়ারের ক্লেদজ কুসুম।... ফুটবলের সকল শৃঙ্খলা পায়ে দলে মাঠে নেমেছেন নিয়মিত। যেখানে তাঁকে আটকানোর সাধ্যি কারো জন্যই সহজ থাকেনি।
-
দীর্ঘদিন শুধু নিজেকেই প্রশ্ন করেছে সে এবং জবাব খুঁজেছে। ধ্যানস্থ হয়ে যা সে পেয়েছে তা কোনো কিছু না ভেবেই বলে দেয় নাজার। মামুলি এক দাস মনে হয় না ওকে। ও শিখেছে জীবন থেকে। জীবনই শেখায়। শেখার কিছু নেই এই মরুভূমিতে। এখানে জীবন নেই। কিছুদিন ওর সঙ্গে কাটাতে মনস্থির করে ওরহান।
-
রূপান্তরের দিকে শুরু হয়ে যাওয়া রাত—শরীর চুঁয়ে পড়ছে পাখির ঠোকর, জন্তুজানোয়ারের লালা; ভোরের দিকে সূর্যশক্তিতে বিনত প্রণাম—নিচুনত জানুতলে একটি স্ত্রী-পদছাপ, ওখানেই জড়ো আছে জন্মহীন পুরুষের কাঁপা না-কাঁপা বীর্যের সুঘ্রাণ।