সহিংসতাকে তিনি কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নয়, জাতিগত ঐক্য গঠনের মাধ্যম হিসেবেও দেখেছিলেন। তাঁর ভাষায়, হিন্দুরা মুসলমানদের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের মধ্য দিয়েই নিজেদের ‘হিন্দু’ হিসেবে চিনতে শিখেছে।
-
-
কোনো পুষ্প এখানে কী করে ফুটবে! কিছু ফুটবে না, বরং যেটুকুন একটু-একটু করে পরম মমতায় ফুটেছিল এতদিনে,—তারা সবে ঝরে যাবে! কে জানে আমরা হয়তো অচিরে কোনো পল্লী জনপদে শেষ একতারা, দোতারা বা সারিন্দা বাদককে দেখব,—বেচারা ধুঁকছে, শরিয়তি ইসলামের বরখেলাফ বাদ্যযন্ত্র বাজানোর অপরাধে!
-
পরে জানতে পারে, অদৃশ্য কোনো প্রভুপিতার দৃষ্টির ভেতর রয়েছে ওরা। পালাতে চাইলেও পথ নেই। ওই হাতের ছড়ানো থাবায় একদিন ধরা দিতেই হবে ওকে। এ-পেশায় হাতেখড়ি নেয়ার দিনগুলোয় ওর এক সুহৃদ বলেছিল, এখানে শুধু আসা যায়, ফেরা যায় না আব্দুল কাদের! এখন বুঝতে পারে সে, কথাটা কত বেশি সত্য।
-
ঘুম ও জাগরণের ফাঁকে ফাঁকে/ সময় নিজেই ভেঙে পড়ে—/ কাঁটার বদলে ঝরে পড়ে মুহূর্তের গুঁড়া।/ হাঁটতে হাঁটতে আমরা খুঁজি সেই ক্ষণ— /যার কোনও জন্মই হয়নি।
-
প্রাচীন ফার্সিতে ‘নূর-ই পাক’ নামে বন্দিত হচ্ছেন জলদেবী আনাহিতা। সংস্কৃতে নির্মল জল নামে বন্দনা চলছে সরস্বতীর। ‘আবে হায়াত’ হলেন এই জলদেবী আনাহিতা, বৈদিক ভারতে তিনিই অমৃত জল সরস্বতী। বড়ো অপূর্ব বড়ো মনোহর এই পরিবেশনা।