দ্রাবিড়েরর হাত চেয়ে মেখে নেয় আর্য, পশুর পালক/ এখনও শুয়ে বীর্যে... আর্যের সন্তান অনার্যের জঠরে।
-
-
তবু মানুষ সাঁতরায়/ শরীরে মেখে মৃত গ্রহ-নক্ষত্রের ছাই।/ মৃদু আভায় জ্বলে ওঠে পিঠ,/ ইস্পাত কঠিন হাতের ওপরে হাত/ পাথুরে দেয়ালে ধাক্কা খায় আদিম কান্নার রিফ...
-
পরে জানতে পারে, অদৃশ্য কোনো প্রভুপিতার দৃষ্টির ভেতর রয়েছে ওরা। পালাতে চাইলেও পথ নেই। ওই হাতের ছড়ানো থাবায় একদিন ধরা দিতেই হবে ওকে। এ-পেশায় হাতেখড়ি নেয়ার দিনগুলোয় ওর এক সুহৃদ বলেছিল, এখানে শুধু আসা যায়, ফেরা যায় না আব্দুল কাদের! এখন বুঝতে পারে সে, কথাটা কত বেশি সত্য।
-
ঘুম ও জাগরণের ফাঁকে ফাঁকে/ সময় নিজেই ভেঙে পড়ে—/ কাঁটার বদলে ঝরে পড়ে মুহূর্তের গুঁড়া।/ হাঁটতে হাঁটতে আমরা খুঁজি সেই ক্ষণ— /যার কোনও জন্মই হয়নি।
-
প্রাচীন ফার্সিতে ‘নূর-ই পাক’ নামে বন্দিত হচ্ছেন জলদেবী আনাহিতা। সংস্কৃতে নির্মল জল নামে বন্দনা চলছে সরস্বতীর। ‘আবে হায়াত’ হলেন এই জলদেবী আনাহিতা, বৈদিক ভারতে তিনিই অমৃত জল সরস্বতী। বড়ো অপূর্ব বড়ো মনোহর এই পরিবেশনা।