নবজাগরণকে শুধু সহজ-সরল প্রগতির ধারা হিসেবে নির্ণয় না-করে বরং এই জাগরণকে ঔপনিবেশিক বাস্তবতার দ্বন্দ্ব, যুক্তিবাদী চেতনার উন্মেষ এবং সমাজ-সংস্কারের অন্তর্গত টানাপোড়েনের আলোকে ব্যাখ্যাও করেছেন। ডিরোজিও'র চিন্তা-চেতনা ও মননশীলতার বাস্তব প্রতিভূ ছিলেন সফিউদ্দিন স্যার, তিনি ছিলেন আমাদের সময়কার ডিরোজিও।
-
-
ক্তবাজার অর্থনীতি ছিল আপাত সর্বশেষ, তার প্রাসঙ্গিকতা গৌণ হওয়াকে পুঁজিবাদের মরণ ভাবছেন অনেকে, ন্যাক্রোপলিটিক্স ও প্রযুক্তি সামন্তবাদকে যেমন ধরে নিচ্ছেন অবক্ষয়ের ধাপ হিসেবে... এসব ভাবনার মধ্যে কাজ করছে ওই চিরাচরিত বামপন্থী বিকার! কার্যত এগুলো কিংবা ‘গ্লোবাল ট্রাম্পিজম’ পুঁজিবাদকে আয়ু দিচ্ছে নতুন করে।
-
‘আমারে সবাই লাফ দেওয়া শিখাতে চাইছ, দড়ি লাফ, সিঁড়ি লাফ। তুমি দেখাইছ কেমনে এক ছাদ থেইকা আরেক ছাদে লম্বা লাফ। কিন্তু কেউ আমারে মাপ দেওয়া শিখায় নাই। ঠিক মতো মাপতে শিখলে কি ওই চিপার মইধ্যে পইড়া যাইতাম!’
-
জামিল কোনো সমাধান খোঁজেননি কে ন্যায়নিষ্ঠ আর কে পাপী! তিনি খুঁজেছেন ধাঁধার উত্তর। এটি কেবল জীবনে নয়, মরণেও ধাঁধাই থেকে যাবে। আর তা হলো, ভালো ও মন্দ উভয়ে যদি অনিঃশেষ হয়, দুঃসহ এই বোঝা থেকে হালকা হতে কি তাহলে নীরবতাই উত্তম আমাদের জন্য!
-
রোজেনবার্গের দৃষ্টিতে, এটি ‘অ্যাকশন’ নয়; বরং ‘অ্যাকশন’-র অনুকরণ;—একধরনের ছদ্মকর্ম। কারণ, এখানে শিল্পী নিজে আর ঝুঁকিতে নেই। সংগতকারণে রোজেনবার্গ প্রশ্ন তুলছেন : যে-শিল্পী নিজে বিপন্ন নয়, সে কি আদৌ ‘কর্ম’ করছে?