প্রতিকার মানে ‘আরও দক্ষতা’ নয়, প্রতিকার হলো ‘থামার ক্ষমতা’, ‘শোনার ক্ষমতা’ ও ‘ঘটতে দেওয়ার’ ক্ষমতা। ধ্যান, নীরবতা, অপেক্ষা, খেলা, উৎসব, অলঙ্কার ইত্যাদিরা হচ্ছে সেই বিশেষ ‘বিলাস’। মানুষের জীবনে এগুলো কোনো ঘাটতি নয়। এগুলো হলো সংস্কৃতির উৎস, সেইসঙ্গে সত্যের দরজা ও নতুনের জন্মভূমি।
-
-
বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় তাহলে ভাষার উৎপত্তি কখন? স্টিভেন মিথেনের থিয়োরি মেনে অগ্রসর হলে শব্দের সঙ্গে শব্দ জুড়ে বাক্য উৎপাদন ও পরিণত সংযোগ আসছে ওই সময়টায়, যবে থেকে মানুষ সুর থেকে শব্দকে পৃথক করার সক্ষমতা অর্জন করেছিল।
-
ফ্যাক্ট চেকিং তথ্যকে ঠিক করতে পারে, কিন্তু ‘সত্য’ তৈরি করতে পারে না। কেননা, সত্য নিছক সঠিক তথ্য নয়, তা হলো একধরনের প্রতিশ্রুতি এবং বয়ানগত অর্থ ও স্থায়িত্ব।
-
ক্তবাজার অর্থনীতি ছিল আপাত সর্বশেষ, তার প্রাসঙ্গিকতা গৌণ হওয়াকে পুঁজিবাদের মরণ ভাবছেন অনেকে, ন্যাক্রোপলিটিক্স ও প্রযুক্তি সামন্তবাদকে যেমন ধরে নিচ্ছেন অবক্ষয়ের ধাপ হিসেবে... এসব ভাবনার মধ্যে কাজ করছে ওই চিরাচরিত বামপন্থী বিকার! কার্যত এগুলো কিংবা ‘গ্লোবাল ট্রাম্পিজম’ পুঁজিবাদকে আয়ু দিচ্ছে নতুন করে।
-
রোজেনবার্গ তাই জোর দিয়ে বলেছিলেন : আগের যে-কোনো সময়ের তুলনায় লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব এখন আরও গভীর ও কঠিন। তাঁর মতে, বুদ্ধিজীবীর কাজ হলো বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দাবি একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের চোখে দেখা বাস্তবতার প্রতি ব্যক্তিগত ও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানো।