বাংলাদেশ এখনো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তবে মানুষের মধ্যে ফুটবল নিয়ে তীব্র আবেগ থাকায় দেশে বিপুল পরিমাণ মৌসুমি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পলিলক্ষিত হয়। জার্সি, পতাকা, ব্যানার তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। বড়ো পর্দায় খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী প্রচার, ডিজিটাল ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিশেষ প্যাকেজ দেশে শত শত কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রবাহ তৈরি করে।
-
-
সেদিন তার মুখের দিকে উত্তরবাণ ছুঁড়ে দিয়েছিলাম :—রবির গালে য'গাছি চুল (চুল না-বলে চুলের হিন্দি প্রতিশব্দ ব্যবহার করেছিলাম) আছে, তারচেয়ে বেশি হবে তাঁর লেখা। আমি বড়োজোর তাঁর কোনও একটি লেখার সমালোচনা করতে পারব, কিন্তু তাঁর বিরোধিতা করা ও একবাক্যে খারিজ করার জ্ঞান আমার আজও হয়নি!
-
ষড়যন্ত্র তত্ত্বটাকে তিনি নিয়েছেন এটা প্রতিষ্ঠার জন্য,—৪৩২ হচ্ছে সেক্রেড বা পবিত্র। এখন এ-নিয়ে একশো মুনির একশো মত আছে ভাই। সুরের টেস্ট শ্রোতাভেদে ভিন্ন হবে। যুগভেদে তা এক থাকবে না কখনো। যে-কারণে ৪৪০ হার্টজ দিয়ে সুরকে প্রাকৃতিক সুরসংগতি বা হারমোনি থেকে ভিন্নদিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে;—মতটি আমার কাছে যথার্থ মনে হয় না।
-
অবশেষে কোনো এক ঝড়ের রাতে চুপচাপ বেরিয়ে আসে ঘর ছেড়ে। বাঘের খাঁটি দুধের সন্ধানে অনন্তর প্রবেশ করে একেবারে অজানা ও অচেনা এক গভীর অরণ্যে। এখনও ওর জানা হয়নি অরণ্যের ঐ দেশটার নাম!
-
এ-কারণে একজন ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা সমর্থক প্রতিপক্ষের সাফল্যকে কেবল একটি খেলার ফল হিসেবে দেখেন না। অনেক সময় সেটি তাঁর কাছে নিজের গোষ্ঠীর প্রতীকী পরাজয়ে পরিণত হয়। আবার নিজের দলের বিজয়ও নিছক একটি ক্রীড়া-সাফল্য থাকে না, তা ব্যক্তিগত গর্বের অংশ হয়ে ওঠে। ফুটবল এখানে বাস্তবের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, কারণ এটি মানুষের বহু পুরোনো গোষ্ঠীগত প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে।