জগতের ব্যাকরণ পেরিয়ে মা যখন একটু হাসেন,/ তখন পৃথিবী হাসে শূন্যে থাকা মহাশূন্যের হাসি/ যেন অদৃশ্য মাছরাঙা গিলে খায় কঠিন বিষাদ।
-
-
‘না না, আসলে হাসপাতাল না, আমি একটু নদীর ধারে, পানির কাছে যেতে চাই’—বিড়বিড় করে বলা কণ্ঠস্বরও সবাই কীভাবে-যে শুনতে পায়! তারপর সবগুলি মুখ কেমন চুপসে যায়। কেউ একজন থমথমে গলায় বলে—‘এখানে নদী কোথায়? দেখছো না কেমন কালো আর কংক্রিট।’
-
কবি ঘুমিয়ে গেছে/ গভীর রাতে/ সমস্ত দুঃখ আজ/ ঝুঁকে আছে উনুনে
-
পড়ার টেবিল এখানে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রতীক, আর আম্মার পালঙ্ক হয়ে ওঠে বিকল্প পাঠপরিসর—যেখানে জ্ঞান আসে ঘরোয়া স্নেহ, কণ্ঠ ও উপস্থিতির মধ্য দিয়ে।
-
দ্রাবিড়েরর হাত চেয়ে মেখে নেয় আর্য, পশুর পালক/ এখনও শুয়ে বীর্যে... আর্যের সন্তান অনার্যের জঠরে।