তবু মানুষ সাঁতরায়/ শরীরে মেখে মৃত গ্রহ-নক্ষত্রের ছাই।/ মৃদু আভায় জ্বলে ওঠে পিঠ,/ ইস্পাত কঠিন হাতের ওপরে হাত/ পাথুরে দেয়ালে ধাক্কা খায় আদিম কান্নার রিফ...
-
-
পরে জানতে পারে, অদৃশ্য কোনো প্রভুপিতার দৃষ্টির ভেতর রয়েছে ওরা। পালাতে চাইলেও পথ নেই। ওই হাতের ছড়ানো থাবায় একদিন ধরা দিতেই হবে ওকে। এ-পেশায় হাতেখড়ি নেয়ার দিনগুলোয় ওর এক সুহৃদ বলেছিল, এখানে শুধু আসা যায়, ফেরা যায় না আব্দুল কাদের! এখন বুঝতে পারে সে, কথাটা কত বেশি সত্য।
-
ঘুম ও জাগরণের ফাঁকে ফাঁকে/ সময় নিজেই ভেঙে পড়ে—/ কাঁটার বদলে ঝরে পড়ে মুহূর্তের গুঁড়া।/ হাঁটতে হাঁটতে আমরা খুঁজি সেই ক্ষণ— /যার কোনও জন্মই হয়নি।
-
মিথের বহুমাত্রিক ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত কবির মানসপ্রতিমা ইলা আশা-নিরাশায়, সংকট-সম্ভাবনায় কখনো মেঘ, কখনো রোদ্দুর, কখনো বৃষ্টি, কখনো গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহ।
-
‘আমারে সবাই লাফ দেওয়া শিখাতে চাইছ, দড়ি লাফ, সিঁড়ি লাফ। তুমি দেখাইছ কেমনে এক ছাদ থেইকা আরেক ছাদে লম্বা লাফ। কিন্তু কেউ আমারে মাপ দেওয়া শিখায় নাই। ঠিক মতো মাপতে শিখলে কি ওই চিপার মইধ্যে পইড়া যাইতাম!’