হয়তো আমি/ কোনও নক্ষত্রের কক্ষপথ থেকে/ খসে পড়া এক নির্বাসিত স্ফুলিঙ্গ;/ অথবা/ আলোর ইতিহাসে নাম না-থাকা এক বাদুড়,/ যে কেবল অন্ধকারের ভাষা পড়তে জানে।
-
-
একজন মননশীল লেখক বাস্তবের মানুষটার চুল-চামড়া-দাঁতের কালো দাগসহ তাঁর লেখায় খুব বেশি হলে ছায়াটুকু নিতে পারেন, অবশ্যই কোনো স্থিরচিত্র নয়। আর কী কী দিতে পারেন? দেবেন তো তাঁর পবিত্র আত্মা থেকে! মনোবিজ্ঞানীর চোখ, কুকুরের মতো ঘ্রাণশক্তি আর দরদি আত্মা দিয়ে সময়চেতনার টানটান তার দিয়ে বাঁধতে পারেন ছোটগল্প নামের দোতারাটা।
-
জানি হাঁটারও একাগ্রতা আছে। তারপর ভাবছি যতগুলো মুখ দৃষ্টির জালে ওঠে, ততগুলো কবিতায় না জাগালে ক্ষতি নেই! চোখের পাশে দাঁড়ানো আর নিজের ভেতর নিজেকে তাড়ানো কখনো একই আবর্তে আসে না;—যদি না স্পর্শ থেকে তৃপ্তি আসে...
-
আমরা সীমান্তে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি,/ পরস্পরের সমন্বয়ে লিখেছি প্রেমের ইশতেহার। ডালিমদানাগুলো ছড়িয়ে পড়ে,/ যেভাবে ভেঙে যায় আস্ত চেনা সভ্যতা প্রাচীনস্তম্ভ।/ তবুও থেমে থাকে না পাতালের লৌকিক সাঁতার।
-
At the end, Rafu, by now a very old man living on the memories and recorded by someone, could not believe that the story he had processed was his own. He was uncertain about the mysteries of his endured life.