স্বচ্ছ কবিতা রচনা করে পাঠক হৃদয়ে স্বচ্ছতার নির্মল আনন্দ সৃষ্টিতে নিয়ামক ভূমিকা কবিদেরই গ্রহণ করতে হবে। তাত্ত্বিকদের কাচ চিবোনো আর নয়, স্বভাব-কবির ধারণাও অনেক আগে বাতিল হয়েছে।
-
-
ঘড়ির কাচে জমে ওঠে কুয়াশা,/ ভিতর থেকে কেউ মুছে দেয় না।/ আমরা সময় দেখতে চাই— / আঙুল ভিজে থাকে, দৃশ্য ঝাপসা।
-
জগতের ব্যাকরণ পেরিয়ে মা যখন একটু হাসেন,/ তখন পৃথিবী হাসে শূন্যে থাকা মহাশূন্যের হাসি/ যেন অদৃশ্য মাছরাঙা গিলে খায় কঠিন বিষাদ।
-
‘না না, আসলে হাসপাতাল না, আমি একটু নদীর ধারে, পানির কাছে যেতে চাই’—বিড়বিড় করে বলা কণ্ঠস্বরও সবাই কীভাবে-যে শুনতে পায়! তারপর সবগুলি মুখ কেমন চুপসে যায়। কেউ একজন থমথমে গলায় বলে—‘এখানে নদী কোথায়? দেখছো না কেমন কালো আর কংক্রিট।’
-
কবি ঘুমিয়ে গেছে/ গভীর রাতে/ সমস্ত দুঃখ আজ/ ঝুঁকে আছে উনুনে