তাঁর আঁকা ছবির প্রতিটা ক্যারেক্টার, প্রতিটা সাবজেক্ট, প্রতিটা তুলির টানে সেই জীবন মর্মরিত, যেখানে ‘আমরা মানুষ’ কথা বলছি নীরবতায়। যেখানে, প্রাচ্যজীবনের প্রতিটা মর্মর, একান্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে সংযোগ ও সংযোগহীনতার গল্পরা যেমন রয়েছে,—এটাকে ছাপিয়ে যাওয়া রহসময়তাও হৃদমাঝারে অনুভব করে দর্শক।
-
-
পুব পশ্চিম কোনো ব্যাপার? বলা যায় না, ওঁদের কেউ বাংলাদেশে তৈরি বানিয়ান পরেছিলেন কিনা। জানলে বাসেত খানকে বলতাম। তবে আমরা সবাই আবার মেড ইন ইন্ডিয়া পরা লোক! আর সব পরিচয় মুছে আদতে ভারতীয়। আর বিদেশের মাটিতে একজন ভারতীয়কে দেখলে আমার ঠিক যে আনন্দ, ওঁদেরও তো সেই আনন্দ!
-
পেইনটা এখানে-যে,—নিজের গঠন ও অবয়বে হোটেলটি যেসব পূর্বস্মৃতি বা পূর্বজন্মের অনুভূতি সরবরাহ করছে, সেখানে কোনো বাছবিচারের জায়গা নেই। ভালোমন্দ সবটাই হোটেলে ঘূর্ণির মতো ঘটে চলে। এমন এক ফাঁদ এই হোটেল, যেখানে প্রবেশের পর বেরুনোর পথ খুঁজে পায় না কেউ! হোটেলটি হয়ে ওঠে ভূতুড়ে ও রহসময়! জীবন সেখানে স্পন্দিত, কিন্তু তা কি জীবন, নাকি জীবনের মিম?—প্রশ্নের উত্তরটা ঝাপসাই থাকে গানে!
-
আমরা আমাদের কুড়ি বা বাইশে, ঠিক ততটাই আত্মকেন্দ্রিক, ততটাই আত্মরতিময়, নার্সিসিস্টিক, যা দিয়ে নিজেকে প্রেমের ট্র্যাজেডির নায়িকা বানানো চলে… আমরা ততটাই ছিলাম অন্ধ, ততটাই কাব্য-কাব্য, যাতে বারবার হৃদয় ভেঙে ফেলা চলে।
-
গান দুধরণের। ইংগ আর বংগ। যেমন ছাত্রেরাও দু ধরণের। ট্যাঁশ আর বং।... অদ্ভুত সব ভাগাভাগি তখন। জীবনটাই তখন ডুয়ালিজম বা দ্বি-তত্ত্বের। উত্তর কলকাতা বনাম দক্ষিণ কলকাতা একটা ভাগ যেমন। আমাদের অনেক উত্তর কলকাতার সহপাঠিনী, বিশেষত যারা আর্টস পড়ত, ফিলজফি বাংলা ইতিহাসের... পটাপট বিয়ে করে নিচ্ছে তারা তাড়াতাড়ি।