হয়তো আমি/ কোনও নক্ষত্রের কক্ষপথ থেকে/ খসে পড়া এক নির্বাসিত স্ফুলিঙ্গ;/ অথবা/ আলোর ইতিহাসে নাম না-থাকা এক বাদুড়,/ যে কেবল অন্ধকারের ভাষা পড়তে জানে।
-
-
কেন এই হঠাৎ শিউরে ওঠা? না, এ-কোনো অর্থ খোঁজা নয়; এমনকি পরিত্রাণের গূঢ় কোনও অভিসন্ধিও নয়; ভেতরে ভেতরে প্রতিনিয়তই-গর্জে-ওঠা-যে-মানুষ মানুষের মধ্যে থাকে, তারই এই চড়াই-উতরাই তারই এই বিষ। জানি না কতদিন আর... কত’কত’কত’ কত’ মূহূর্তের পর গা’কে আমরা বুঝে উঠবো!
-
আমার কিন্তু পরিস্থিতিটা ভীষণ ভালো লাগে নিজের অজান্তেই মটরশুঁটিদানার মতো হেসে ফেলি— যৌনতার ব্যাপারটাও খাপেখাপ এমনই— পশ অ্যারিয়া থেকে কেবল নিচের দিকে নামতে থাকে
-
সিলেটে অগ্নিশিখা ও মনোজ-র মতো কাগজের প্রয়োজনীয়তা আছে বৈকি। সমকালীন পরিস্থিতির নিরিখেও সাহিত্যিক তৎপরতায় বৈচিত্র্যমুখী হওয়াতে নেই ক্ষতি। সেইসঙ্গে ধারাবাহিকতাও গড়ে ওঠা দরকার। ছাপাসংখ্যার পাশাপাশি তারা যদি অনলাইনে সক্রিয় হতে পারেন, সেক্ষেত্রে ছোটকাগজের সম্প্রসারণে নতুন মাত্রা যোগ হবে। সময়-উপযোগী হয়ে উঠবে অধিক। আমরা পুরাতনদের পাশাপাশি বেশি করে নবীন লেখকদের পড়তে চাই।
-
আমাদের কাজবাজে স্থানিকতার বিচিত্র রং প্রায়শ অনুপস্থিত থাকে। যে-কারণে এগুলো প্রাণের জিনিস হয়ে ওঠে না। বিশ্বযোগ সারতে হলে ওটা কিন্তু লাগবে। স্থানিকতা হচ্ছে সেখানে কাঁচামাল। বিশ্ব থেকে যা কুড়িয়ে-বাড়িয়ে পেলেন,—সেগুলোর সঙ্গে এই কাঁচামাল ঠিকঠাক জুড়তে পারলে সত্যিকার বিশ্বযোগ ঘটে। সাধ্য থাকলে আমীনুর রশীদের মতো আরো যাঁরা ছিলেন বা এখনো রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে কাজে নামাটা বোধহয় জরুরি হয়ে উঠছে ক্রমশ।