খেলা শেষের ফাঁকা মাঠ দেখলে অবাক লাগে — সত্যিই কি লক্ষ লক্ষ মানুষ এখানে ছিল একটু আগে? আবারো তারা আসবে? খেলাই তবে সব? কেউ খেলবে আর আমরা আসবো, দেখবো, হাসবো, কাঁদবো— এই-ই চলছে এখানে ও ঐ আলোকবর্ষ দূরের অগণিত গ্রহে?
পোস্ট শোকেস
A default category for blog post.
-
-
“প্রসঙ্গ ইরান” : তাৎক্ষণিক নেটালাপ
রাষ্ট্র কি নাগরিকদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে, নাকি নাগরিক বহুত্ববাদকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজেকে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ রাখবে?... ইরানের সাম্প্রতিক আন্দোলন অন্তত এটুকু স্পষ্ট করেছে : রাষ্ট্র ও ধর্মের সম্পর্ক নিয়ে যে-বিতর্কটি বহুদিন ধরে তাত্ত্বিক পরিসরে ছিল, তা এখন বাস্তব সমাজের ভিতরেই নতুন করে আলোচনায় উঠছে।
-
নভশ্চিল লাইলাক-১ : হেলাল চৌধুরী
কবিতা কি চেয়েছে/ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্তবক/ সুখপাঠ কাব্য/ পাঠকের পাঠানুভূতি সূর্যের রোদ্দুরে ভেজা রোদ ভরা...
-
গানালেখ্য : ব্যারিকেড
এখনো কি ‘নিখিলেশ’, তোকে বলা যায়, —‘ঘুমিয়ে পড়ার আগে দুজনে মিলে মাটি চেটে দেখি কত রক্ত কান্না গর্জন, আর কত নিষ্পাপ হাসি ও হাহাকার শুষে ধরণী এখনো সবুজ!’ কেন গান গেয়ে ওঠে কেউ দূরে! কেন এই মাটির গভীর থেকে গমক দিয়ে ওঠে কেউ ... ‘Halt’!
-
প্রসঙ্গ ইরান : আমাদের দ্বিধা ও স্ববিরোধিতা : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ
একটি বহুধর্মীয় সমাজে যদি রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে একক ধর্মীয় বিধান চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে এই অংশগ্রহণ বাস্তবে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কারণ, তখন সমাজের বড় একটি অংশ কার্যত জনপরিসর থেকে বাদ পড়ে যায়।