অন্যদিকে, গ্রামীণ জীবনে ফসল রক্ষায় জমিনে ‘বিশকাঠি’ স্থাপন পহেলা বৈশাখের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। সাধারণত ‘খাগড়া’ দিয়ে এ-বিশকাঠি তৈরি হয়। নিয়মানুসারে খাগড়ার পাতা ভাঁজ করে গুটি বেঁধে কয়েকটি খাগড়ার মুষ্টি তৈরি করে জমিনে ও নদীতে নিশানের মতো পুঁতে রাখা হয়। কৃষিজীবীদের মাঝে যা শিলাবৃষ্টির রক্ষাকবজ বিবেচিত হয়ে থাকে।
-
-
একটু না-হয়, আজি/ বাদলের জলে ভিজি/ কতকাল থেকে পড়ে আছে বিশুষ্ক দুই বৃক্ষ ও নদী/ বাদলের জল চেয়ে আগুনের গতর কতকাল হয় অধীর!
-
গ্রামীণ জীবনে পহেলা বৈশাখ শুধুমাত্র উৎসবের আনন্দ নিয়ে আসে না, বরং জীবনের প্রাপ্তি /অর্জনের খেরোখাতা খুলে দেয়। মহাজনের সম্পদ নির্মাণে খাজাঞ্চিবাবুর শ্রম-ঘামের মূল্যায়ন আছে কি! এমন ব্যতিক্রম সমীকরণ নিয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণের বৈশাখের কবিতা—'খাজাঞ্চিবাবুর নববর্ষ'।
-
মিনতি করি হে শশীমুখী/ মেঘের মিম্বরে নিয়ো না উড়ান/ বৃষ্টি নামছে দেখো দ্রিমিক দ্রিমিক/ হয়নি সময় … বলার,/ ‘ভালো থেকো, যাই’…
-
আদি পেশা বেহাত দশা মাছেরও আকাল/ মনাইর খুঁজে বীরোজাল্যুয়া ছাড়িল ময়াল/ পন্থে হাটে কণ্ঠে গায় কৈবর্তপুরাণ/ যে-গাঙে ডুবিয়া মনাই করিত সিনান