কোহেনও গরল পান করেন গানে; এবং তাতেই তিনি অন্তত আমার কাছে একালের হর হর মহাদেব! তাঁকে বলতে পারি, হে গানের নবি, দুঃখ ও অশুভে আমরা জর্জরিত... তুমি বরং এমন একখানা গান গাও, যে-গান শ্রবণে আমাদের সত্তা ও অস্তিত্ব বুঝতে পারে আমরা কোথায় আছি, আর কেমন এই পুরোহিত কঙ্কালের পাশাখেলা!
-
-
ভট্ট কবিতা বা ভট্ট সঙ্গীত এবং ভাট কবিতা এক নয়। ভট্ট কবিতায় ভাট কবিতার মত প্রথম বাক্যের তিন অংশের দুই অংশে ছন্দমিল বা দুইবাক্যে অন্তমিল থাকে না। যদিও ভট্ট কবিতাকে ভাট কবিতা বলে অনেক গবেষকগণ লিখিত মত প্রকাশ করেছেন।
-
নৈঃশব্দ্যের ভেতরেও একরাশ শব্দ থেকে যায়/ একদলা মাটি দিয়ে কেউ কেউ পুতুল বানায়
-
খেলা শেষের ফাঁকা মাঠ দেখলে অবাক লাগে — সত্যিই কি লক্ষ লক্ষ মানুষ এখানে ছিল একটু আগে? আবারো তারা আসবে? খেলাই তবে সব? কেউ খেলবে আর আমরা আসবো, দেখবো, হাসবো, কাঁদবো— এই-ই চলছে এখানে ও ঐ আলোকবর্ষ দূরের অগণিত গ্রহে?
-
কবিতা কি চেয়েছে/ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্তবক/ সুখপাঠ কাব্য/ পাঠকের পাঠানুভূতি সূর্যের রোদ্দুরে ভেজা রোদ ভরা...