মিনতি করি হে শশীমুখী/ মেঘের মিম্বরে নিয়ো না উড়ান/ বৃষ্টি নামছে দেখো দ্রিমিক দ্রিমিক/ হয়নি সময় … বলার,/ ‘ভালো থেকো, যাই’…
-
-
আদি পেশা বেহাত দশা মাছেরও আকাল/ মনাইর খুঁজে বীরোজাল্যুয়া ছাড়িল ময়াল/ পন্থে হাটে কণ্ঠে গায় কৈবর্তপুরাণ/ যে-গাঙে ডুবিয়া মনাই করিত সিনান
-
ধীরে ধীরে নৌকো পৌঁছে যায় গ্রামের কাছাকাছি। এসব ভাবনা ছাপিয়ে নানির মস্তিষ্কে তখন জটিল অঙ্কের খেলা চলেছে। কত টাকা কুলসীর মায়ের হাতে দিয়ে নিজের জন্য কত বাঁচানো যায়? জীবন মানেই তো অর্থের হিসেব মিলানো : যত দরিদ্রই হোক না সে!
-
নাগরিক জীবনের ব্যস্ততা এবং যান্ত্রিকতার মধ্যে থেকেও তিনি সবার অলক্ষ্যে যাপন করছেন এক সন্ন্যাস জীবন, যেখানে প্রতিনিয়ত তিনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন দৃশ্যমান সত্য আর পার্থিব-অপার্থিব বোধ, বিরহ আর পোষণ করছেন নিঃসঙ্গতা ঘোচাবার এক আকূল বাসনা।
-
মন দিয়ে মন জেনে নিতে হয় প্রেম ছাড়া জানেনাতো কেউ,/ লাগাতেই পারো ছলাকলা প্রেমে অপ্রেমের চারাগাছ/ প্রেমে আছে সুধা অপ্রেমে বেহুদা ময়ূর করে না নাচ।