জল তুমিও ঘুরছো চক্রাকারে/ আগুন তুমিও জ্বলছো নিরবধি/ যেন তোমরাও পরার অধীন
-
-
লোকসুরের উচ্ছল তরঙ্গ গানটির প্রতি অঙ্গে বহমান। কাজী নজরুল ইসলামের মর্মে গানটি সেইসময় গেঁথে গিয়েছিল বলে কথা চাউর আছে। আমরা জানি, নজরুল সৈনিকের ভূমিকা নিভিয়েছেন কিছুদিন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে হয় তাঁকে। টার্কিশ গানটির সঙ্গে সেই সুবাদে পরিচয় ঘটার সম্ভানা রয়েছে বিলক্ষণ।
-
কবিতা মূলত বোঝার ভাষা নয়, অনুভব করানোর শিল্প। বোঝানোর জন্য যুক্তিকে সাজাতে হয়, একটা অর্থকে নির্দিষ্ট করতে হয়, কোনও সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে দিতে হয়। কিন্তু কবিতা এই পথে হাঁটতে নারাজ। মঞ্জুর কবিতাও আমাদেরেকে বোঝাতে নয়, অনুভব করাতে চায়। তিনি উত্তর দেন না, সিদ্ধান্ত দেন না। প্রশ্ন খোলা রাখেন পাঠকের জন্য। মঞ্জুর কবিতা এভাবে বলে না—কবি ‘প্রীত’ নন বলে মানুষ; বরং…
-
তার কথায় বাধা দেই আমি : ‘কেন? কবি না আপনি, এইটা কে বলল? কবি হইতে গেলে কী লাগে? কোনো বংশ? নাকি কবির ঘরে কবি জন্মে? আপনার কী ধারণা? কবি হইতে গেলে বেশি পড়াশোনা লাগে?’ তিনি মাথা নেড়ে আমার প্রশ্নের মোক্ষম জবাবটাই দিলেন! কবি হইতে গেলে এসব কিছু লাগে না; তা তিনি বোঝেন, আর আমাকেও বোঝালেন। আমি তার কথায় জোর দিতেই…
-
নজিরগুলো এ-কারণে পেশ করা,—কবিতা বিরচণের আঙ্গিক রূপে হাইকুকে জাপানি কেতা থেকে বেরিয়ে অন্যভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। এরকম ‘হাইকু’ যদি লিখতে পারেন কিছু,—আমার মনে হয় অভিজ্ঞতা খারাপ মনে হবে না নিজের কাছে। যাপনকে নির্গলিত করা, দহনকে টেনে বের করে আনার স্পেস সেখানে হাইকু আপনাকে দিতে কৃপণতা করবে না।