হ্যারল্ড রশীদের ছবি স্পিরিচুয়াল ক্যাথারসিসে গমন করতে অভ্যস্ত। দুই-একটি বাদ দিলে সবগুলো ছবি যে-কারণে পরস্পরের প্রতিধ্বনি। একটা লোকের মনোজগৎকে প্রতিভাসিত করছে তারা। আঁকার গুণে যা আবার কেবল তার নিজের থাকেনি। দর্শককে ওই জগতে ঢুকিয়ে নিচ্ছেন হ্যারল্ড। তাঁর আঁকা জগৎ-ফাঁদে দর্শক বন্দি বটে! আমাদের শিরদাঁড়ায় একটা স্পাজম টের পাইয়ে দিচ্ছে এই লোক!
-
-
মহাভারতের শঙ্খধ্বনি নীরব হল,/ যুদ্ধ শেষ হলো না মানুষের মধ্যে।/ আমরা আয়নায় মুখ দেখি—/ কোথাও-না-কোথাও দুর্যোধন থাকে।
-
বৈঠাহীন আক্কেল আলী মাঝগোড়ায় বসে অসহায়। কর্ম নেই। যুদ্ধের ময়দানে অস্ত্র ছাড়া সেনাপতি। তাই মাঝেমাঝে এর-তার বৈঠা চাইছে, কিন্তু কেউ দিচ্ছে না। এখানে কর্মই ধর্ম। তাই কেউ বৈঠা ছাড়তে রাজি নয়। সবাই বলছে ‘যে-আক্কলে বৈইডা আনছচ্ না, হেই আক্কলে বৈয়া থাক।’
-
সেদিন, পিতার হাত ধরে চেরাপুঞ্জি হয়ে মেঘালয় পাড়ি দিয়েছিলাম।/ শিলং হয়ে গৌহাটি ছুঁয়ে আসামের হাইলাকান্দি রতনপুর স্ট্রিট.../ পৃথিবীর মাঠে মাঠে তখন নেমে এসেছিল গভীরতম এক অন্ধকার,/ এবং মনে হয়েছিল এর চেয়ে বেশ ছিল মায়ের জঠরে রাত্রির মঠ...
-
দু’চোখ আটকে আছে আমার ঐ ঘুঙুরে। মাঝে মাঝে আঁতকে উঠি আমি। এই বুঝি পায়ের নিচে চাপা পড়ে ওটা! বাজনার তালে তালে দ্রুত হয় ওর পায়ের ছন্দ আর আমার বুকের কাঁপুনি। মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাতে পারি না ওখান থেকে।