...যৌনতা ও লিবিডো এক নয়! মন্দির গাত্রে খোদিত চিত্রকর্মও যৌনতা প্রকাশের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছিল একসময়। সরাসরি অঙ্গ-উপাসনার সূত্রপাতও হয়েছিল অনেক ধর্মে। উপাসনালয়ের গঠনরীতিতেও রয়েছে যৌনতা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ওসবের। স্বাভাবিকভাবে যা আসে তা খাঁটি। আরোপ করতে গেলে দেখা দেয় সমস্যা। ওটাকে তখন শিল্পের আবেদন ধরে নেয়া যায় না।...
-
-
মেঘরাজ লিখল,—কিছু অপরাধের বিচার আদালত করে, কিছু অপরাধের বিচার সারাজীবন নিজের ভেতর চলতে থাকে। সেদিন প্রথমবার তার মনে হলো, কারাগারের দেয়ালগুলো মানুষের শরীর আটকে রাখে, কিন্তু অপরাধের স্মৃতি আটকে রাখা যায় না।
-
কিছু পাতা ঝরুক এই ফাগুনে/ কিছু নাভি পুড়ুক—নারীদের/ তোমার নাভিও কি পুড়ে গেছে?/ পুড়ে গেছে কি নখের আচরণ?
-
...হিসেবের বাইরে শক্তি জুটিয়ে হাত প্রসারিত করি, আবছায়ারা আমাকে চেনে কিনা বোঝা যায় না। এই আবছায়াদের মধ্যে আমার জীবনের নারী আছে, পুরুষ আছে, আছে চেনা বৃক্ষ, কাণ্ড, পাতা, পাখপাখালী। সেই গুইসাপ, ভয় আর রং ছড়ানো জীবন…পছন্দ হয় তো মাথা উঁচিয়ে হাঁটো, না হয় তো খোলস বদলিয়ে দাও।
-
কবি যদি সমাজের চালচিত্র পরিবেশক হন, তাহলে পথ দেখিয়ে দেওয়াটাও তাঁর আরেকটা কাজ। কোন পথে মানুষের পরিত্রাণ ঘটবে! কোন দিকে মানুষ যাবে! সময়ের জাঁতাকলে বেঁচে থাকার উপায় কী? এসব জিজ্ঞাসা নিশ্চয় কবিকে ভাবিত করে। সেই তাড়নায় কবিতা নির্দেশের চেহারা নিতেই পারে। প্রায় সব কবিই নির্দেশ দিয়ে থাকেন, কেউ প্রত্যক্ষ কেউ ইশারায়।