এরকম শ্বাসরুদ্ধকর দুপুরে দূরের টেলিগ্রাফের খাম্বাকেও অপরিচিত লাগছে তার। একটু দূরে উড়ে বেড়ানো কালো ফিঙে পাখি, এর মত্ত, তিরতির, মসৃণ পালকে বলক তোলা দেখে আগে কত উচ্ছসিত হয়েছে! কি স্বাধীন এইসব পাখি! বছর পাঁচেক আগে সে নিজেও ঢাকায় ইডেন কলেজ প্রাঙ্গনে এমন করেই ঘুরেফিরে বেরিয়েছে। শিরিন আলতো হাত বুলিয়ে আদর করে নিজের পেট।
-
-
হ্যাঁ, এই নতুন যান্ত্রিক যাত্রার সঙ্গে মানুষ ন্যাচারাল কম্যান্ডগুলো ভুলে যাচ্ছে। আলেকজান্ডার বলেছিলেন, এইসব ক্ষমতা আমাদের মধ্যে ইন্সটিঙ্কটলি ছিল। এখন আবার চেষ্টা করে শিখতে হচ্ছে, তো আমাদের জীবনদেবতা এক্ষেত্রে আমাদের অস্তিত্বকে জাগাতে আবার আহবান জানায়, প্রকৃতিকে অনুসন্ধান করতে বলে...
-
জল তুমিও ঘুরছো চক্রাকারে/ আগুন তুমিও জ্বলছো নিরবধি/ যেন তোমরাও পরার অধীন
-
কবিতা মূলত বোঝার ভাষা নয়, অনুভব করানোর শিল্প। বোঝানোর জন্য যুক্তিকে সাজাতে হয়, একটা অর্থকে নির্দিষ্ট করতে হয়, কোনও সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে দিতে হয়। কিন্তু কবিতা এই পথে হাঁটতে নারাজ। মঞ্জুর কবিতাও আমাদেরেকে বোঝাতে নয়, অনুভব করাতে চায়। তিনি উত্তর দেন না, সিদ্ধান্ত দেন না। প্রশ্ন খোলা রাখেন পাঠকের জন্য। মঞ্জুর কবিতা এভাবে বলে না—কবি ‘প্রীত’ নন বলে মানুষ; বরং…
-
নজিরগুলো এ-কারণে পেশ করা,—কবিতা বিরচণের আঙ্গিক রূপে হাইকুকে জাপানি কেতা থেকে বেরিয়ে অন্যভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। এরকম ‘হাইকু’ যদি লিখতে পারেন কিছু,—আমার মনে হয় অভিজ্ঞতা খারাপ মনে হবে না নিজের কাছে। যাপনকে নির্গলিত করা, দহনকে টেনে বের করে আনার স্পেস সেখানে হাইকু আপনাকে দিতে কৃপণতা করবে না।