কবিতা মূলত বোঝার ভাষা নয়, অনুভব করানোর শিল্প। বোঝানোর জন্য যুক্তিকে সাজাতে হয়, একটা অর্থকে নির্দিষ্ট করতে হয়, কোনও সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে দিতে হয়। কিন্তু কবিতা এই পথে হাঁটতে নারাজ। মঞ্জুর কবিতাও আমাদেরেকে বোঝাতে নয়, অনুভব করাতে চায়। তিনি উত্তর দেন না, সিদ্ধান্ত দেন না। প্রশ্ন খোলা রাখেন পাঠকের জন্য।…
সাহিত্যবাসর
A section for Poetry, Short Story, Novel, and Literary Article contributed by the Third Lane Whataspp Group Members and Followers.
-
-
কতিপয় হাইকু : সুমন বনিক
নজিরগুলো এ-কারণে পেশ করা,—কবিতা বিরচণের আঙ্গিক রূপে হাইকুকে জাপানি কেতা থেকে বেরিয়ে অন্যভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। এরকম ‘হাইকু’ যদি লিখতে পারেন কিছু,—আমার মনে হয় অভিজ্ঞতা খারাপ মনে হবে না নিজের কাছে। যাপনকে নির্গলিত করা, দহনকে টেনে বের করে আনার স্পেস সেখানে হাইকু আপনাকে দিতে কৃপণতা করবে না।
-
রবির বিশ্বযোগ : উইলিয়ম রাদিচের সঙ্গে কথালাপ-১ : কামাল রাহমান
... আমি জানি না,—‘গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।’ এর মূল সুরটিকে কীভাবে অনুবাদে আনা সম্ভব! অনুবাদে ‘স্যাড’ শব্দটি এনেছেন, কবিতাটি দুঃখের নয়, কিছুটা বিষাদের, আবার চূড়ান্ত হতাশারও নয়, ... নাহি ভরসা, অর্থাৎ আপনি রিলাই করতে পারছেন না,—দুঃখ ও বিষাদের পার্থক্য ইংরেজিতে কীভাবে প্রকাশ করবেন…
-
জীবনানন্দ, তোমাকে ভেবে-৪ : হেলাল চৌধুরী
এখনও তোমার বিষণ্ণ মহৎ/ পড়ে আছে মানুষের শরীরে সূর্যালোকে/ আজও তোমার নীলিমার সীমাহীন ভ্রান্তিবিলাস দেখি/ মানুষেরই পিঠে এখনও তোমার ভয়াবহ পৃথিবী ঘোরে।
-
লেখা কি মনোরঞ্জন?
সুনীল-শীর্ষেন্দু-সমরেশরা যদি পরপর পাঁচটা লেখেন, তার চারটা দায় পূরণের খাতিরে তাঁদেরকে লিখতে হয়েছে, একটা-যে এর মধ্য দিয়েও বেরিয়ে আসেনি তা কিন্তু নয়। কমলকুমারের সঙ্গে পার্থক্য,—তিনি এই চাপ বুঝেশুনেই ঘাড়ে নেননি। মর্জিমতো লিখছেন। ছাপানো দরকার মনে হলে ছোটকাগজে ছেড়ে দিয়েছেন। লেখনক্রিয়াকে এভাবে উপভোগ করছেন কমলকুমার। সুনীলরা ওই কাজটা বড়ো পাঠকবৃত্তের খোরাক…