একটু পরেই অসিতরা শুনে দুটি নয়, এখন কেবল একটি বাঁশির সুর ভেসে আসছে। অকল্পনীয় সে সুরসুধা পলেপলে জীবনকে তুচ্ছ করে। পতঙ্গের মতো পুড়ে মরতে সাধ জাগায়। সেই সুরের গভীর মন্ত্রণায় চারপাশের সব জড়-জীব যেন নৃত্য শুরু করেছে।
-
-
আমরা আমাদের কুড়ি বা বাইশে, ঠিক ততটাই আত্মকেন্দ্রিক, ততটাই আত্মরতিময়, নার্সিসিস্টিক, যা দিয়ে নিজেকে প্রেমের ট্র্যাজেডির নায়িকা বানানো চলে… আমরা ততটাই ছিলাম অন্ধ, ততটাই কাব্য-কাব্য, যাতে বারবার হৃদয় ভেঙে ফেলা চলে।
-
কতদিন হয়ে গেল/ আমার শহর ঘুমায় না।/ রাত-গভীরেও/ জানালাগুলো খোলা রাখে,/ যেন কেউ হঠাৎ আসবে ফিরে।
-
সুরভি কিন্ত আমার জন্য ফাঁসি দেয় নাই ভাইজান।... মোজাম্মেল কিছু বলে না, আর তার ফর্সা মুখও অন্ধকারে দেখা যায় না। পাড়ার লোকজন আনাগোনা করে। গলির মোড়ে দুই ভাই চুপচাপ কারেন্ট আসার অপেক্ষা করে;—কেউ তাদেরকে চিনতে পারে না।
-
মাসকালচার, পপকালচার নামে যে-অতিকায় বৃক্ষের নিচে মানুষ সামাজিক থেকেছে এতদিন,—এখন তা উবে যাওয়ার পরিণাম কেমন হবে? মানুষ কি গোত্র বুঝে পরস্পরকে সংযোগ করবে? নাকি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকবে একা? কেমন হতে যাচ্ছে মানুষের ভবিষ্যৎ সামাজিক জীবন? ফ্রানজ কাফকা যে-রূপান্তর ও বিবিক্তিকে তুলে ধরেছিলেন, আসন্ন রূপান্তর কি সেরকম কিছু? ঠিক কেমন হতে যাচ্ছে তার চেহারা?