...অন্য নারীর জাদুটানে রূপলোভী পুরুষের সমর্পণ গানের মূল বিষয় নয়। বিষয় বরং অন্যত্র নিহিত, আর তা হলো,—নিজেকে ভেঙে পড়ার হাত থেকে বাঁচানোর প্রয়োজনে ডলি লড়ছেন মূলত। লাল চুলের রূপসী যেন তার একমাত্র শক্তি মানুষকে বিশ্বাস ও ভালোবাসা ছিনিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য যতদূর যেতে হয় তিনি যাবেন! একটা টাফ ব্যাটল ও তাতে জয়ী হওয়ার প্রত্যয় এভাবে গানটাকে উচ্ছল রাখে আগাগোড়া।
-
-
আপনি ইরানদেশের মেধাবী গোলাপ। সৌরভ ছড়াবেন সে জানা কথা। আমার ঋণ অন্যখানে। আপনার চোখ দিয়ে দেখা ‘পার্সেপোলিস’ আমাকে ইরান ও পারস্যের মধ্যে সবসময় জাগ্রত পার্থ্যকটি ধরতে শিখিয়েছিল। চিরঋণী করে গেছেন সেখানেই!...
-
নিজেকে গড়েপিটে নেওয়া আমাদেরকে দিয়ে হয়ে ওঠেনি। বাচ্চাগুলোকে গড়েপিটে নেওয়ার দায় তাই আমাদের মধ্যে গভীর নেই এখন। দোজখে ঠাসা ধরায় জেন-জিগুলো অবিকল আমাদের নকল! দমবদ্ধ এক খাঁচায় আমরা নিজেকে পিষে মারছি। বাচ্চাগুলো সেখানেই জন্ম নেওয়ার কারণে আবর্জনায় পরিণত হওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ভবিষ্যৎ তারা পাবে কোথায়!
-
ক্যানভাসে ছবি অনেকভাবে আঁকা যায়। সবটাই ক্লোদ মনে বা সালভাদর দালির মতো হওয়া জরুরি নয়। একটা ‘মান’ এভাবে চাপানোর মধ্যে বরং ‘পুনরাবৃত্তি’র বিপদ লুকিয়ে থাকে। যারা ‘সুন্দর শৈল্পিক ফুটবল’ বলে হামেশা চিল্লান, তারা হয়তো ‘জোগো বনিতা’য় এমনভাবে আটকা পড়েছেন,—আজো সেই খোঁয়ারি কাটছে না তাদের!
-
এরকম পরিবেশে বসে মুস্তাফা মনোয়ারের মতো সৃষ্টিশীল শিল্পমন বৈচিত্র্য ও বিনোদনে গোছানো অনুষ্ঠান জাতিকে উপহার দিতে চেষ্টা করেছেন। আকাশ সংস্কৃতির যুগে প্রবেশের পর টিভি অনুষ্ঠানের মান ঈর্ষণীয় উচ্চতায় পৌঁছানোর কথা ছিল, তা যদিও আমরা ঘটতে দেখিনি। ‘সিসিমপুর’-এর মতো কিছু অনুষ্ঠান ছাড়া মধ্য নব্বই পরবর্তী সময়ে বিকশিত টিভি চ্যানেলের সৃজনশীল মান নিম্নগামী থেকেছে।