এই দেশে এরকম ভাষায় কবিতা বিরচন কবিমহলে এখনো স্বীকৃতিযোগ্য নয় অতটা! তাঁর কবিতা স্বয়ং নানাসময় ফেসবুক ও অনলাইন মুখপত্রে চোখে পড়েছে নিয়মিত, নিজের মধ্যে তবু বোঝার আর্তি প্রবল হয়নি,—কবিতায় কেবল আবেগের পারদ ফেনিয়ে তোলার চেয়ে রথো রাফি বরং পরদেশি মেঘেদের মতো সূক্ষ্ম কারুকাজে কবিতার গন্তব্য খুঁজে ফিরছেন।
-
-
পৌরাণিক তথ্যানুসারে (Mythologically) দেবী দুর্গার আবির্ভাবের কারণ ও শক্তি-ক্ষমতা বিশ্লেষণ করলে আমরা নারীর প্রতি আস্থা ও সম্মানের বিষয়টি লক্ষ করি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী যেখানে কোমল, ক্ষমতাহীন, যৌনতার প্রতীক, দেবী দুর্গা সেখানে ‘শক্তি-রূপেন সংস্থিতা’। তাঁর মহিষাসুর-মর্দিনী রূপ স্মরণ করিয়ে দেয় পৌরাণিক মাতৃতান্ত্রিক সমাজের নারী-নেতৃত্বের মহিমা, যা আজও আধুনিক সমাজব্যবস্থায় ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
-
...অন্য নারীর জাদুটানে রূপলোভী পুরুষের সমর্পণ গানের মূল বিষয় নয়। বিষয় বরং অন্যত্র নিহিত, আর তা হলো,—নিজেকে ভেঙে পড়ার হাত থেকে বাঁচানোর প্রয়োজনে ডলি লড়ছেন মূলত। লাল চুলের রূপসী যেন তার একমাত্র শক্তি মানুষকে বিশ্বাস ও ভালোবাসা ছিনিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য যতদূর যেতে হয় তিনি যাবেন! একটা টাফ ব্যাটল ও তাতে জয়ী হওয়ার প্রত্যয় এভাবে গানটাকে উচ্ছল রাখে আগাগোড়া।
-
আপনি ইরানদেশের মেধাবী গোলাপ। সৌরভ ছড়াবেন সে জানা কথা। আমার ঋণ অন্যখানে। আপনার চোখ দিয়ে দেখা ‘পার্সেপোলিস’ আমাকে ইরান ও পারস্যের মধ্যে সবসময় জাগ্রত পার্থ্যকটি ধরতে শিখিয়েছিল। চিরঋণী করে গেছেন সেখানেই!...
-
নিজেকে গড়েপিটে নেওয়া আমাদেরকে দিয়ে হয়ে ওঠেনি। বাচ্চাগুলোকে গড়েপিটে নেওয়ার দায় তাই আমাদের মধ্যে গভীর নেই এখন। দোজখে ঠাসা ধরায় জেন-জিগুলো অবিকল আমাদের নকল! দমবদ্ধ এক খাঁচায় আমরা নিজেকে পিষে মারছি। বাচ্চাগুলো সেখানেই জন্ম নেওয়ার কারণে আবর্জনায় পরিণত হওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ভবিষ্যৎ তারা পাবে কোথায়!