রোজেনবার্গের দৃষ্টিতে, এটি ‘অ্যাকশন’ নয়; বরং ‘অ্যাকশন’-র অনুকরণ;—একধরনের ছদ্মকর্ম। কারণ, এখানে শিল্পী নিজে আর ঝুঁকিতে নেই। সংগতকারণে রোজেনবার্গ প্রশ্ন তুলছেন : যে-শিল্পী নিজে বিপন্ন নয়, সে কি আদৌ ‘কর্ম’ করছে?
-
-
আর্ট ফর ‘অ্যাকশন’ ও হ্যারল্ড রোজেনবার্গ সমাচার : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ
রোজেনবার্গ তাই জোর দিয়ে বলেছিলেন : আগের যে-কোনো সময়ের তুলনায় লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব এখন আরও গভীর ও কঠিন। তাঁর মতে, বুদ্ধিজীবীর কাজ হলো বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দাবি একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের চোখে দেখা বাস্তবতার প্রতি ব্যক্তিগত ও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানো।
-
সময়ের সুগন্ধ : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ
আধুনিক যুগে কাজ ধীরে ধীরে জীবনের কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। ধর্মীয় শৃঙ্খলা, পুঁজিবাদের উত্থান ও শিল্পযুগের যান্ত্রিক সময় মিলিয়ে মানুষকে এমন এক কর্মজীবনে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে অবসর আর স্বাধীনতায় রঙিন নয়; এক বরং অপরাধ বলে ভাবে মানুষ। সময় যেন সঞ্চয়ের বস্তু! শ্রম কেবল মুক্তির প্রতিশ্রুতি! আর জীবন অবিরাম কাজ করে…
-
অশুভ যখন হয়ে ওঠে মামুলি : প্রসঙ্গ হানা আরেন্ট
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ সহিংসতাকে কেবল Banality of evil দিয়ে ব্যাখ্যা করলে সেটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আইখম্যানের মতো চিন্তাহীন আমলা এখানে অবশ্যই ছিল, যারা কেবল আদেশ পালন করেছে। কিন্তু পাশাপাশি ছিল মতাদর্শী পরিকল্পনাকারী, হিংস্র মব, ভয় সৃষ্টিকারী সন্ত্রাস, এবং সেই সন্ত্রাসের নিচে তৈরি হওয়া নিঃসঙ্গতা।