ক্যানভাসে ছবি অনেকভাবে আঁকা যায়। সবটাই ক্লোদ মনে বা সালভাদর দালির মতো হওয়া জরুরি নয়। একটা ‘মান’ এভাবে চাপানোর মধ্যে বরং ‘পুনরাবৃত্তি’র বিপদ লুকিয়ে থাকে। যারা ‘সুন্দর শৈল্পিক ফুটবল’ বলে হামেশা চিল্লান, তারা হয়তো ‘জোগো বনিতা’য় এমনভাবে আটকা পড়েছেন,—আজো সেই খোঁয়ারি কাটছে না তাদের!
-
-
ফ্রান্স, স্পেন ও নরওয়ে ব্যতিক্রম তাতে সন্দেহ নেই, তবে ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের মতো ব্যালান্স দল এই দৌড়ে এখনো নিজেকে যেন খুঁজে ফিরছে! তারা হয়তো সামনে ঘুরে দাঁড়াবে। সেমি অথবা ফাইনালেও যেতে পারে, তবে তাদের গতি ও অ্যাথলেটিক স্কিল নির্ভর প্রেসিং ফুটবলে সৃজনশীলতার ঘাটতি চোখে পড়ছে। একটা যান্ত্রিক রোবোটিক ফুটবলের মহড়া খেলাটির বিউটিকে ম্রিয়মাণ করছে ভালোই।
-
রোনালদোর অভিধানে এরকম মেসিতে মসিময় ‘আবেগ’ দর্শক কখনো দেখেছে বলে আমার অন্তত অজানা। ‘আবেগ’কে সম্ভবত ভিতরে গুম করে মাঠে নামে সিআর সেভেন। নিজের স্ট্রাগলকে পারতপক্ষে সামনে আনে না। মুখের রেখা দেখে বোঝার উপায় থাকে না এই লোকটা মাঠে খেলতে নেমে চোখের আসু কবে বা কোনোদিন মুছেছিল কি-না!
-
কাপ যেই জিতুক, ২২-এর মতো অবিস্মরণীয় ফাইনাল যদি হয়, আরো কিছু এরকম ম্যাচ হয় নকআউট পর্বে, শাকিরা বিবির দাই দাই গান আহামরি না হওয়ায় কিচ্ছু যাবে আসবে না।