সকালে ঘুম ভেঙে ভিখু দেখে অন্য এক জগৎ।... নতুন বেশ ও ভূষণে মাথার চুল আঁচড়ে ও সিঁথি সাজিয়ে সিঁদুর মেখে নতুন এক পাঁচী হয়ে উঠেছে সে। গ্রামবাংলার কোনো ভাদ্রবধূর মুখ কখনো দেখেনি ভিখু। ওর মনে হতে থাকে, ওকি সেই পাঁচী, যাকে সে স্বপ্নের ঘোরে একটা এক হন্দর শস্যের থলের মতো অনন্তকাল ধরে পিঠে বয়ে বেড়িয়ে চলেছে?
-
-
অবশেষে কোনো এক ঝড়ের রাতে চুপচাপ বেরিয়ে আসে ঘর ছেড়ে। বাঘের খাঁটি দুধের সন্ধানে অনন্তর প্রবেশ করে একেবারে অজানা ও অচেনা এক গভীর অরণ্যে। এখনও ওর জানা হয়নি অরণ্যের ঐ দেশটার নাম!
-
দু’চোখ আটকে আছে আমার ঐ ঘুঙুরে। মাঝে মাঝে আঁতকে উঠি আমি। এই বুঝি পায়ের নিচে চাপা পড়ে ওটা! বাজনার তালে তালে দ্রুত হয় ওর পায়ের ছন্দ আর আমার বুকের কাঁপুনি। মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাতে পারি না ওখান থেকে।
-
স্বচ্ছ কবিতা রচনা করে পাঠক হৃদয়ে স্বচ্ছতার নির্মল আনন্দ সৃষ্টিতে নিয়ামক ভূমিকা কবিদেরই গ্রহণ করতে হবে। তাত্ত্বিকদের কাচ চিবোনো আর নয়, স্বভাব-কবির ধারণাও অনেক আগে বাতিল হয়েছে।
-
পরে জানতে পারে, অদৃশ্য কোনো প্রভুপিতার দৃষ্টির ভেতর রয়েছে ওরা। পালাতে চাইলেও পথ নেই। ওই হাতের ছড়ানো থাবায় একদিন ধরা দিতেই হবে ওকে। এ-পেশায় হাতেখড়ি নেয়ার দিনগুলোয় ওর এক সুহৃদ বলেছিল, এখানে শুধু আসা যায়, ফেরা যায় না আব্দুল কাদের! এখন বুঝতে পারে সে, কথাটা কত বেশি সত্য।