যেখানেই থাকুন কবি, কবিতায় আর গানের টানে বোনা এই গানালেখ্যটি আপনার কাছে পৌঁছে যাবেই যাবে। জানবেন, আমরা আপনাকে আজো ভুলিনি। আপনি আছেন মনের তারায় অভিশাপ হয়ে। থাকবেন, যতদিন আমাদের আয়ু রয়েছে ধরায়। যতদিন, আমরা শিকার হইনি বিস্মরণের!
-
-
অমিয় চক্রবর্তীর ‘সংগতি’র একখানা সারমর্ম আমরা পেলাম এখন। শহীদ কাদরী অ্যানকাউন্টার টানলেন,—মেলানোর আশা সহজ প্রাকৃতিক হলেও কোনো অঙ্কই অদ্য আর মিলবে না। নাতিদীর্ঘও নয় কবিতাটি;—যদি অমিয় চক্রবর্তীর পাশাপাশি তাকে রাখি। তার মধ্যেই ধরা পড়েছে মানব-ইতিহাসের লক্ষ বছরের আবর্তন। ধরা পড়েছে তার অবিরত গড়িয়ে পড়ার হাস্যকর পরিহাস।
-
দিবারাতি তবু ঠোকাঠুকি হে মাবুদ, সোনালি ধানখেতে জবাই মানুষ রক্তের ছিটায় লাল মেঘের মিনার! চক্ষু মুদে তুমি কালঘুমে, উঠনের নাম নাই!
-
জীবনানন্দ এর থেকে নিষ্ক্রমণ খুঁজেছেন এমন এক প্রাকৃতিকতায়, যেটি নিজে ক্লিয়ার করে দিচ্ছেন,—পৃথিবীতে এর অস্তিত্ব স্বপ্নের মতো পৌরাণিক। তাঁর রচনায় আমরা একসময় দালি ও অঁদ্রে ব্র্যতোঁদের তৈরি পরাবাস্তব ইশতেহারে খুঁজে নিয়েছি। এখন তা অবান্তর লাগে নিজের কাছে। কারণ, জীবনানন্দের মধ্যে পরাবাস্তবতা নয়, বরং সক্রিয় থেকেছে ডিল্যুশন!
-
কুকুর আগলে রাখে ছানা, গন্ধ শুঁকে বের করে আনে পাপ— তোমাদের যত অপরাধ! কুকুর শিশু বোঝে, তোমরা কি শিশু বোঝো হে মানুষ?