ক্তবাজার অর্থনীতি ছিল আপাত সর্বশেষ, তার প্রাসঙ্গিকতা গৌণ হওয়াকে পুঁজিবাদের মরণ ভাবছেন অনেকে, ন্যাক্রোপলিটিক্স ও প্রযুক্তি সামন্তবাদকে যেমন ধরে নিচ্ছেন অবক্ষয়ের ধাপ হিসেবে... এসব ভাবনার মধ্যে কাজ করছে ওই চিরাচরিত বামপন্থী বিকার! কার্যত এগুলো কিংবা ‘গ্লোবাল ট্রাম্পিজম’ পুঁজিবাদকে আয়ু দিচ্ছে নতুন করে।
-
-
রোজেনবার্গ তাই জোর দিয়ে বলেছিলেন : আগের যে-কোনো সময়ের তুলনায় লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব এখন আরও গভীর ও কঠিন। তাঁর মতে, বুদ্ধিজীবীর কাজ হলো বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দাবি একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের চোখে দেখা বাস্তবতার প্রতি ব্যক্তিগত ও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানো।
-
কবি ওরফে ঈশ্বরের মনে আশা সৃষ্টি হবে তাঁর মতো;—তাঁর স্ত্রী ঈশ্বরীর মতো চিরকল্যাণকর! আর, যদি তা না হয়, যদি আবারও প্রমাণ হয় তিনি সৃষ্টিতে ভুল করেছেন আবারো, তাঁর আশা ব্যর্থ করে নারকীয় গোলযোগ ও অবিশ্বাসের অশুভ মাতনে ধ্বংস হচ্ছে সব… এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আসলেও নেই।
-
আধুনিক যুগে কাজ ধীরে ধীরে জীবনের কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। ধর্মীয় শৃঙ্খলা, পুঁজিবাদের উত্থান ও শিল্পযুগের যান্ত্রিক সময় মিলিয়ে মানুষকে এমন এক কর্মজীবনে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে অবসর আর স্বাধীনতায় রঙিন নয়; এক বরং অপরাধ বলে ভাবে মানুষ। সময় যেন সঞ্চয়ের বস্তু! শ্রম কেবল মুক্তির প্রতিশ্রুতি! আর জীবন অবিরাম কাজ করে চলার প্রবাহ! এই প্রবাহ মানুষকে ধ্যান থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।…
-
এই আলোকে গাজাকে ব্যতিক্রমী পরিসর গণ্য করা উচিত;—একটি গহ্বর, যেখানে ইসরায়েল ‘যৌক্তিকতার’ নাম করে যা ইচ্ছা তাই ছুড়তে পারে। কেননা, এটি অন্যান্য অতিভৌগোলিক পরিসরের মতো নয়, এই গহ্বরের তলদেশে রয়েছে অ-সত্তা বা অস্তিত্বহীন জনসমষ্টি, যাদের আর্তনাদ শোনা যায় না, আর তাদেরকে মেরে ফেলাটা স্বাভাবিক করে তোলা হয়েছে।