সেদিন তার মুখের দিকে উত্তরবাণ ছুঁড়ে দিয়েছিলাম :—রবির গালে য'গাছি চুল (চুল না-বলে চুলের হিন্দি প্রতিশব্দ ব্যবহার করেছিলাম) আছে, তারচেয়ে বেশি হবে তাঁর লেখা। আমি বড়োজোর তাঁর কোনও একটি লেখার সমালোচনা করতে পারব, কিন্তু তাঁর বিরোধিতা করা ও একবাক্যে খারিজ করার জ্ঞান আমার আজও হয়নি!
-
-
অবশেষে কোনো এক ঝড়ের রাতে চুপচাপ বেরিয়ে আসে ঘর ছেড়ে। বাঘের খাঁটি দুধের সন্ধানে অনন্তর প্রবেশ করে একেবারে অজানা ও অচেনা এক গভীর অরণ্যে। এখনও ওর জানা হয়নি অরণ্যের ঐ দেশটার নাম!
-
যেন সবুজ/ ঘাসের নীলিমায়,/ অ্যালগরিদম।
-
হ্যারল্ড রশীদের ছবি স্পিরিচুয়াল ক্যাথারসিসে গমন করতে অভ্যস্ত। দুই-একটি বাদ দিলে সবগুলো ছবি যে-কারণে পরস্পরের প্রতিধ্বনি। একটা লোকের মনোজগৎকে প্রতিভাসিত করছে তারা। আঁকার গুণে যা আবার কেবল তার নিজের থাকেনি। দর্শককে ওই জগতে ঢুকিয়ে নিচ্ছেন হ্যারল্ড। তাঁর আঁকা জগৎ-ফাঁদে দর্শক বন্দি বটে! আমাদের শিরদাঁড়ায় একটা স্পাজম টের পাইয়ে দিচ্ছে এই লোক!
-
মহাভারতের শঙ্খধ্বনি নীরব হল,/ যুদ্ধ শেষ হলো না মানুষের মধ্যে।/ আমরা আয়নায় মুখ দেখি—/ কোথাও-না-কোথাও দুর্যোধন থাকে।