বৈঠাহীন আক্কেল আলী মাঝগোড়ায় বসে অসহায়। কর্ম নেই। যুদ্ধের ময়দানে অস্ত্র ছাড়া সেনাপতি। তাই মাঝেমাঝে এর-তার বৈঠা চাইছে, কিন্তু কেউ দিচ্ছে না। এখানে কর্মই ধর্ম। তাই কেউ বৈঠা ছাড়তে রাজি নয়। সবাই বলছে ‘যে-আক্কলে বৈইডা আনছচ্ না, হেই আক্কলে বৈয়া থাক।’
-
-
সেদিন, পিতার হাত ধরে চেরাপুঞ্জি হয়ে মেঘালয় পাড়ি দিয়েছিলাম।/ শিলং হয়ে গৌহাটি ছুঁয়ে আসামের হাইলাকান্দি রতনপুর স্ট্রিট.../ পৃথিবীর মাঠে মাঠে তখন নেমে এসেছিল গভীরতম এক অন্ধকার,/ এবং মনে হয়েছিল এর চেয়ে বেশ ছিল মায়ের জঠরে রাত্রির মঠ...
-
দু’চোখ আটকে আছে আমার ঐ ঘুঙুরে। মাঝে মাঝে আঁতকে উঠি আমি। এই বুঝি পায়ের নিচে চাপা পড়ে ওটা! বাজনার তালে তালে দ্রুত হয় ওর পায়ের ছন্দ আর আমার বুকের কাঁপুনি। মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাতে পারি না ওখান থেকে।
-
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি কখনও-কখনও গভীর প্রেম নয়, বরং এমন একজন মানুষের অস্তিত্ব, যে-আন্তরিকভাবে তার খোঁজ রাখছে;—এই সত্যটাই কবিতার কেন্দ্রীয় বক্তব্য।
-
মিনোটরের গোলকধাঁধা ভেঙে পড়েছে কবে,/ তবু শহরগুলো আজও পথ হারায়।/ আমরা ভাঙা সময়ে সুতো ধরে এগোতে চাই—/ দেখি সুতোটাই জড়িয়ে গেছে গলায়।