বিরক্তি ও অসন্তুষ্টি দিয়া কিন্তু দ্য রোড নট ট্যাকেন কবিতার শুরুয়াত। পরবর্তী স্তবকগুলায় যোগ হইতেছে অতৃপ্ত হাহাকার। ফাঁদ থেকে বের হইতে কবি নিজেকে বোঝান,- দুইটা পথই ঝাক্কাস! একটা বেছে নিতে হবে তাঁকে। জনচলাচল যে-পথে অল্প, কবি সেইটা বেছে নিতেছেন। মনে অবশ্য সংশয়,- বেছে তো নিলাম ঠিক আছে,- ফেরত আসতে পারব তো? জুয়ার দান কবি খেলতেছেন এইবেলা। যে-পথে জনচলাচল আছে সেইটা…
-
-
পৃথিবী বিচিত্র। বান্দরকে কম্পিউটার কিবোর্ডের সামনে বসিয়ে আন্ধাধুন্ধা কিবোর্ড চাপানোর জের হইতে সৃষ্ট মাঙ্কি থিয়োরামকে ফালতু বলি কী করে! অসীম সময় ধরে কিবোর্ডের বাটনগুলা টিপতে থাকলেও বান্দরের পক্ষে শেকসপিয়ারের রচনা নামানো সম্ভব না বইলা যতই রসিকতা করি, বাস্তবে এই মানবগ্রহ সত্যিই ফিনিট। মানবজীবনকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত যেসব নকশা পয়দা হইতে থাকে তার মধ্যে কিছু নকশা অবিকল ফেরত আসে। তাই যদি…
-
কিতাবের কুতুব মিনার দিয়া জীবনকে আমরা বিলক্ষণ সাজাইছি বটে! এমন একখান জীবন যা কিনা ইচ্ছা করলে এক ফুৎকারে ধ্বংসও করতে পারি। এর থেকে প্রমাণ হয় যিনি আমাদের সৃষ্টি করলেন উনার মনে আমাদের প্রতি দয়ামায়া নাই। আমরা তাঁর ভালোবাসার পাত্র হইতে পারি নাই। আমরা হইতেছি অভিশপ্ত জানোয়ার। খারাপ নজির রাখতে গ্রহে আসছি। আমাদেরকে কেন এভাবে পাঠানো হইছে সে-কেবল উনি জানে আর…
-
হেগেলের মতো বরেণ্য দার্শনিক কালো মানুষদের এমন এক মানবসত্তা হিসেবে দেখছেন যারা নাকি আজো শৈশব (Kindernation) অতিক্রম করতে পারে নাই। এম্নিতে শান্ত-সুবোধ কিন্তু রেগে গেলে কালোরা স্রেফ জন্তুসুলভ। বিশেষ করে সাব-সাহারান আফ্রিকায় যারা বসবাস করে তাদের ব্যক্তিত্ব অবিকশিত। ব্যক্তিত্ব কী বস্তু সেইটা নাকি তারা বোঝেই না! যা-কিছু মানবতাকে সুসংগতি দান করছে তার একটাও কালো মানুষদের মধ্যে নাই! কখনো ছিলও না!…
-
গানের ভিত্রে ব্রায়ান শুরু থেকে ক্লিয়ার ছিল,- পাষাণীরে আটকানো যাবে না। এর জন্য নিজেকে দায়ী করতেছে সে। কিন্তু ওই যে চলে যাইতেছে, এইটা এখন বেচারা নিতে পারতেছে না। ভালোবাসা হয়তো এ-কারণে এতটা মর্মঘাতী! তাসনিফের উৎসর্গ এখানে ব্রায়ানস্বরে চলে যাওয়াকে মেনে নিলেও গানের প্রতিটা চরণে কাউন্টার জারি রাখে সে। কারণটা ওই অন্ধ চোখের উপমায় নিহিত। অন্ধকে যে আলো দিলো, সে যখন…