নজিরগুলো এ-কারণে পেশ করা,—কবিতা বিরচণের আঙ্গিক রূপে হাইকুকে জাপানি কেতা থেকে বেরিয়ে অন্যভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। এরকম ‘হাইকু’ যদি লিখতে পারেন কিছু,—আমার মনে হয় অভিজ্ঞতা খারাপ মনে হবে না নিজের কাছে। যাপনকে নির্গলিত করা, দহনকে টেনে বের করে আনার স্পেস সেখানে হাইকু আপনাকে দিতে কৃপণতা করবে না।
Latest Posts
-
-
দাস্তান-ই-দিলরুবা
কালের বিবর্তনে ‘দাস্তান-ই-দিলরুবাই’ ব্যবহারে আগ্রহীরা ভিন্ন সময়রেখায় দেখা দেওয়া চরিত্রগুলোকে বড়শিতে গেঁথেছেন। বেগম সামরু ঐতিহাসিক চরিত্র। মহ লাকা বাই (মনে হলো) কাল্পনিক। সালমান রুশদি চেহারা-সুরতে বাস্তব মানু হলেও, খোমেনির নূরানি চেহারা চোখে ভাসলে রুশদিকে মনে হয় জাদুবাস্তব! সে যাকগে, উর্দু সাহিত্যে রেফারেন্স হিসেবে প্রথম দুজনের নাম প্রায়ই উঠে আসে। এর…
-
গানালেখ্য : কেয়ার করি না
খোমায় মাঞ্জা মাইরা আমরা হালায় ঘুরি— / বাইরে দেখতে ফিটফাট/ মাগার্ ভিত্রে ঠনঠনা—/ ভিত্রে ঠনঠনা আমরা/ ভিত্রে ঠনঠনা।
-
রবির বিশ্বযোগ : উইলিয়ম রাদিচের সঙ্গে কথালাপ-১ : কামাল রাহমান
... আমি জানি না,—‘গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।’ এর মূল সুরটিকে কীভাবে অনুবাদে আনা সম্ভব! অনুবাদে ‘স্যাড’ শব্দটি এনেছেন, কবিতাটি দুঃখের নয়, কিছুটা বিষাদের, আবার চূড়ান্ত হতাশারও নয়, ... নাহি ভরসা, অর্থাৎ আপনি রিলাই করতে পারছেন না,—দুঃখ ও বিষাদের পার্থক্য ইংরেজিতে কীভাবে প্রকাশ করবেন…
-
রবিগানের তরি ও অন্যান্য : একপশলা নেটালাপ-২
গান মূলত শোনার বিষয় হলেও, এখন তা দেখারও বিষয় বটে। আমাদের চোখ ও কান দুটোই এখানে এই সংযোগকে পড়তে ও অর্থ করতে শিখে গেছে। এটিও একধরনের ইম্প্রোভাইজেশন। প্রথমে পারেনি, কারণ ওই পূর্ব-সংস্কার। এটি এখানে বড়ো অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় প্রায়শই। আমরা কেউ সম্ভবত এর থেকে মুক্ত নই।