তাঁর আঁকা ছবির প্রতিটা ক্যারেক্টার, প্রতিটা সাবজেক্ট, প্রতিটা তুলির টানে সেই জীবন মর্মরিত, যেখানে ‘আমরা মানুষ’ কথা বলছি নীরবতায়। যেখানে, প্রাচ্যজীবনের প্রতিটা মর্মর, একান্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে সংযোগ ও সংযোগহীনতার গল্পরা যেমন রয়েছে,—এটাকে ছাপিয়ে যাওয়া রহসময়তাও হৃদমাঝারে অনুভব করে দর্শক।
-
-
ভাষার এই অদ্ভুত কনট্রাস্টই জীবনানন্দের অপার শক্তি, এবং সে-কারণে বিশ্বের চিরমহান কবিদের একজন তিনি। কিংবা আলো পৃথিবীর রাত্রি কবিতা যদি পাঠ করি পুনরায়,—বিস্ময়কর নির্মিতি। অভবানীয় ও অদ্ভুত! কিন্তু নিজের ম্যাসেজ প্রদানে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার। জীবনানন্দ ইহজীবনে আর্ট ফর আর্ট সেক বা শিল্পের জন্য শিল্প লেখেননি। তিনি বিশুদ্ধ জীবনচাক্ষিক।
-
জীবনানন্দ দাশের টেক্সটের একটি যৌথ মালিকানা কিন্তু এভাবে তৈরি হচ্ছে এখানে! তাঁরা দুজন একই শেয়ারিং ক্লাউডে বিরাজ করছেন এখন। অনুভবটি মনে আসত না, যদি দেখা যেত,—জীবনানন্দ দাশের রেখে যাওয়া বিশ্বে নিজের বিশ্বটি তিনি সংযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা তখন একে নকল বা প্রভাবদুষ্ট বলে দিতাম সরাসরি। ঝুঁকিটি হেলাল ভাই উতরে গেছেন মোটামুটি।