পাখি গায় না কাউকে শোনানোর জন্য; গায়, কারণ গানই তার স্বভাব। মানুষের কানে কখনও সেই গান আনন্দের, কখনও বেদনার, কখনও আবার এক অজ্ঞাত শূন্যতার প্রতিধ্বনি হয়ে ধরা দেয়। এই অনিশ্চিত অনুভবের গভীরতাই মানুষের অবচেতনকে নীরবে স্পর্শ করে, তাকে নিজের অন্তর্জগতের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
-
-
মানুষ জন্মদোষে গোল্ডফিশ। তার সভ্যতাযাত্রা মানে হইতেছে মহা বিস্মরণের পানে যাত্রা। বিস্মরণে সহজাত হওয়ার কারণে সে নিষ্পাপ। শত হাজার আউশভিৎস, অগণিত গণকবরকে নিমেষে বিস্মৃত হয়ে কবিতা লিখতে পারে। সকল হত্যা ও নারকীয়তা তার কাছে মমিকরা তুতেনখামেন। তুতুনেখামেনকে সে তাই আদর জানাইতে চুম্বন করে। মৃত ফারাওর মুখচুম্বনের ক্ষণে তার দেহে দ্যুতি দেখা যায়। বড়ো সুন্দর দ্যুতি! যেমন সুন্দর তার এই অনায়াস…