একটু পরেই অসিতরা শুনে দুটি নয়, এখন কেবল একটি বাঁশির সুর ভেসে আসছে। অকল্পনীয় সে সুরসুধা পলেপলে জীবনকে তুচ্ছ করে। পতঙ্গের মতো পুড়ে মরতে সাধ জাগায়। সেই সুরের গভীর মন্ত্রণায় চারপাশের সব জড়-জীব যেন নৃত্য শুরু করেছে।
-
-
কোহেনও গরল পান করেন গানে; এবং তাতেই তিনি অন্তত আমার কাছে একালের হর হর মহাদেব! তাঁকে বলতে পারি, হে গানের নবি, দুঃখ ও অশুভে আমরা জর্জরিত... তুমি বরং এমন একখানা গান গাও, যে-গান শ্রবণে আমাদের সত্তা ও অস্তিত্ব বুঝতে পারে আমরা কোথায় আছি, আর কেমন এই পুরোহিত কঙ্কালের পাশাখেলা!
-
জীবনানন্দ এর থেকে নিষ্ক্রমণ খুঁজেছেন এমন এক প্রাকৃতিকতায়, যেটি নিজে ক্লিয়ার করে দিচ্ছেন,—পৃথিবীতে এর অস্তিত্ব স্বপ্নের মতো পৌরাণিক। তাঁর রচনায় আমরা একসময় দালি ও অঁদ্রে ব্র্যতোঁদের তৈরি পরাবাস্তব ইশতেহারে খুঁজে নিয়েছি। এখন তা অবান্তর লাগে নিজের কাছে। কারণ, জীবনানন্দের মধ্যে পরাবাস্তবতা নয়, বরং সক্রিয় থেকেছে ডিল্যুশন!