সুতরাং বলা যায়, ভাষার যোগ-বিয়োগ কিংবা ভাষার নড়েচড়ে বসাই মূলত ‘সাহিত্য’। অর্থাৎ ভাষাই সাহিত্যের অনুঘটক। অথচ কখনো কখনো এই ভাষাই সম্পূর্ণ লেখকসত্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে। যা লিখছি তার সাথে হয়তো স্বতঃস্ফূর্ত কোনো সংযোগ নেই অথবা পুরো ঘটনাটাই আকস্মিক।
-
-
প্রথমত, ইন্টেলেকচুয়ালের পরিভাষা হিসেবে বুদ্ধিজীবী শব্দের ব্যবহার আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি কখনো। শব্দটির মধ্যে পরগাছাসুলভ ভাব বেশ তীব্র। বুদ্ধি বেঁচে জীবিকা নির্বাহে সম্পৃক্ত থাকায় শুরুতেই সংকীর্ণ একটি ভাব মনে চলে আসে। কলিম খানরা এখানে মনীষী শব্দটির ব্যাখ্যায় যে-অর্থে পৌঁছান, সেটি বরং আমার কাছে অধিক যৌক্তিক মনে হচ্ছে।