সমষ্টি এবং স্বত্ববিহীন রচনাপ্রক্রিয়াই কেবল মহাভারতের মতো আকরগ্রন্থ প্রসবের শক্তি রাখে। আমরা যে-যুগ বাস করি সেখানে এটা কোনোভাবে সম্ভব নয়। এমনকি অনেকজন মিলেও যদি এরকম কিছু লিখতে নামেন, দশকের-পর-দশ ধরে লেখনক্রিয়া জারি থাকে, একটা প্রসঙ্গের লেজ ধরে শত প্রসঙ্গ যুক্তও হয়, তথাপি মহাভারত সম্ভব নয়। যে-কালপর্বকে ধারণ করতে এই মহাগ্রন্থ বিরচিত, এবং সেখানে যেসব উপাদান সক্রিয়, তার মধ্যে ছিল মহাকাব্যিক…
-
-
পুতিনশাসিত রাশিয়ার কথাই ধরি। পরাশক্তি হিসেবে সে আসলে কী চায়, কোনখানে যাইতে চায়, কীভাবে দেশবাসীকে একটা কাঠামোয় রাখতে চায় ইত্যাদি সকলের কাছে বোধগম্য করে তুলতে আমরা পুতিনকে সক্রিয় দেখতেছি। নেপথ্যে যিনি বা যারা আছেন তারা পুতিনের পরামর্শক হিসেবে ভূমিকা রাখতেছেন। ভলাদিমির পুতিনের সমুদয় কাণ্ডকারখানার নেপথ্যে সচল দার্শনিক ভিতের প্রণেতা হিসেবে আমরা যেমন আলেকজান্ডার ডুগিনকে পাইতেছি সেখানে। ডুগিনের ব্যাপারে যদি তল্লাসি…
-
আমাদের এই জীবনটা তখন হবে গাছের জীবন। অর্থ পয়দার ফুরসত গাছের নাই। সে কখনো জানতে চায় না কী কারণে ধরায় তারে আসতে হইতেছে বা কে পাঠাইছে ইত্যাদি। গাছ তার ফুল-ফল-শাখা-প্রশাখা আন্দোলিত করে একটাই উত্তর করে সদা,- ওসব জেনে কি লাভ! আমি আছি। আমারে তোরা পারলে কাজে লাগা। কদিন পরে মাটিতে মিশে যাবো। এই তো জীবন! কেন এখানে আসছি, কে আমারে…
-
গোড়ার কোয়েশ্চনটা আবার উঠাইতে হয়। কেন শুনতেছি তাহলে? আনসার সোজা,- আমরা গোলাম মাওলা রনিকে শুনতে বসি নাই মোটেও;- শেখ হাসিনার ফেরত আসার সম্ভাবনা নিয়া উনি চটকদার ব্যানার দিছে দেখে মোবাইল স্ক্রিনে ধা করে আঙুল চেপে বসছি। উনি যা বলতেছে তার কিছুই আসলে আমাদের কানে ঢুকতেছে না। ব্যানারটা এখানে রিয়েলিটিক ডিফাইন করতেছে;- গোলাম মাওলা রনি জাস্ট আনরিয়েল। বদ্রিলারের সারার্থ ধার করে…
-
কিতাবের কুতুব মিনার দিয়া জীবনকে আমরা বিলক্ষণ সাজাইছি বটে! এমন একখান জীবন যা কিনা ইচ্ছা করলে এক ফুৎকারে ধ্বংসও করতে পারি। এর থেকে প্রমাণ হয় যিনি আমাদের সৃষ্টি করলেন উনার মনে আমাদের প্রতি দয়ামায়া নাই। আমরা তাঁর ভালোবাসার পাত্র হইতে পারি নাই। আমরা হইতেছি অভিশপ্ত জানোয়ার। খারাপ নজির রাখতে গ্রহে আসছি। আমাদেরকে কেন এভাবে পাঠানো হইছে সে-কেবল উনি জানে আর…