বই আকারে কবিতাগুলো যদি বের করেন, সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব একখান ব্যাখ্যা বোধহয় পরিশিষ্টে সংযুক্ত করা অন্তিম হয়ে দাঁড়াবে। অন্যথায় প্রথমপাঠে পাঠক ভাবতে পারে,—আপনি জীবনানন্দ দাশের স্বকীয়তাকে ডিরেক্ট কপি করছেন এখানে। গ্রুপে এর আগে যে-কবিতাগুলো দিয়েছেন, তার সঙ্গে তুলনায় যদি যাই, তাহলে সাম্প্রতিক দুটি কবিতায় জীবনানন্দ অধিক মাত্রায় তীব্র, এবং সে-কারণে…
পোস্ট শোকেস
A default category for blog post.
-
-
গানালেখ্য : কালঘুম
দিবারাতি তবু ঠোকাঠুকি হে মাবুদ, সোনালি ধানখেতে জবাই মানুষ রক্তের ছিটায় লাল মেঘের মিনার! চক্ষু মুদে তুমি কালঘুমে, উঠনের নাম নাই!
-
নিরীক্ষা ও বিনির্মাণে জীবনানন্দ দাশের অন্ধকার-৩
জীবনানন্দ এর থেকে নিষ্ক্রমণ খুঁজেছেন এমন এক প্রাকৃতিকতায়, যেটি নিজে ক্লিয়ার করে দিচ্ছেন,—পৃথিবীতে এর অস্তিত্ব স্বপ্নের মতো পৌরাণিক। তাঁর রচনায় আমরা একসময় দালি ও অঁদ্রে ব্র্যতোঁদের তৈরি পরাবাস্তব ইশতেহারে খুঁজে নিয়েছি। এখন তা অবান্তর লাগে নিজের কাছে। কারণ, জীবনানন্দের মধ্যে পরাবাস্তবতা নয়, বরং সক্রিয় থেকেছে ডিল্যুশন!
-
পারিয়া
কুকুর আগলে রাখে ছানা, গন্ধ শুঁকে বের করে আনে পাপ— তোমাদের যত অপরাধ! কুকুর শিশু বোঝে, তোমরা কি শিশু বোঝো হে মানুষ?
-
গানালেখ্য : তোমাকে বলছি শোনো
অতীতে এই আলাপ হয়েছিল বটে,—জীবনানন্দের টেক্সটকে প্রায় অবিকল ব্যবহার করে কবি ধরতে চাইছেন সেই সুর, যেটি এই সময়ে ঘনীভূত অন্ধকারের ওপর আলো ফেলবে। আমাদের মনের মাটিতে এভাবে জীবনানন্দের উসিলায় প্রতিভাত হবে ঘনিয়ে আসা অমাবস্যার দিনলিপি;—যেটি এখন চলছে, এবং এর অবসান কবে ঘটবে তা আপাতত সকলের অজানা।