অতঃপর, এই ছবিগুলো প্রেত হয়ে বেঁচে আছে! এমনকি তিনি চলে যাওয়ার পরেও তারা ঘুরছে প্রেতের মতো চারধারে! স্রষ্টাকে খুন করে ছবি বেঁচে আছে! রঘু রাইকে চলে যেতে দিয়ে তাঁর উদ্বাস্তুরা আজো অস্বস্তিকরভাবে বেঁচে আমাদের চোখের সাামনে!
-
-
নবজাগরণকে শুধু সহজ-সরল প্রগতির ধারা হিসেবে নির্ণয় না-করে বরং এই জাগরণকে ঔপনিবেশিক বাস্তবতার দ্বন্দ্ব, যুক্তিবাদী চেতনার উন্মেষ এবং সমাজ-সংস্কারের অন্তর্গত টানাপোড়েনের আলোকে ব্যাখ্যাও করেছেন। ডিরোজিও'র চিন্তা-চেতনা ও মননশীলতার বাস্তব প্রতিভূ ছিলেন সফিউদ্দিন স্যার, তিনি ছিলেন আমাদের সময়কার ডিরোজিও।
-
যে-সমাজে স্বাধীন বৌদ্ধিক বিকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হয়, সেখানে সেরা মেধা টিকে থাকতে চায় না। বিপ্লবোত্তর ইরানের জ্ঞান-প্রকল্প তার নিজের সেরা সন্তানদের যে-কারণে ধরে রাখতে পারেনি।
-
একটি বহুধর্মীয় সমাজে যদি রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে একক ধর্মীয় বিধান চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে এই অংশগ্রহণ বাস্তবে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কারণ, তখন সমাজের বড় একটি অংশ কার্যত জনপরিসর থেকে বাদ পড়ে যায়।
-
যেহেতু, সুন্দরের দেবীকে ঈশ্বর সৃষ্টি করেন,—যেন তাঁর বিরুদ্ধে তারা বিদ্রোহ ঘোষণা করতে পারে ধরায়। গদার হয়তো সেটি ধরতেই বার্দোকে নিয়েছিলেনলে মেপরিসে ।... ব্রিজিত বার্দোর অতুল সৌন্দর্য কি তবে ফাঁদ ছিল তাঁর জন্য? আর, এ-কারণে মানবধরায় তিনি ঈশ্বরের প্রতিপক্ষ? হতেও পারে। বার্দো কি তা টের পেয়ে সিনেমার রূপালি পর্দা থেকে নিজেকে দ্রুত গুটিয়ে নিতে শুরু করেছিলেন তখন? হয়তো…!