এরকম পরিবেশে বসে মুস্তাফা মনোয়ারের মতো সৃষ্টিশীল শিল্পমন বৈচিত্র্য ও বিনোদনে গোছানো অনুষ্ঠান জাতিকে উপহার দিতে চেষ্টা করেছেন। আকাশ সংস্কৃতির যুগে প্রবেশের পর টিভি অনুষ্ঠানের মান ঈর্ষণীয় উচ্চতায় পৌঁছানোর কথা ছিল, তা যদিও আমরা ঘটতে দেখিনি। ‘সিসিমপুর’-এর মতো কিছু অনুষ্ঠান ছাড়া মধ্য নব্বই পরবর্তী সময়ে বিকশিত টিভি চ্যানেলের সৃজনশীল মান নিম্নগামী থেকেছে।
-
-
ডেভিড হকনির এই রং কিন্তু অপ্রাকৃতিক লাগে দেখে! আমাদের দেখা রংয়ের মতো নয়। হতে পারে, ওটাই প্রকৃত রং আসলে! যা কেবল আঁকিয়েরা দেখতে পায়। হকনি স্মরণে থাকবেন, এবং তা এজন্যও,—তাঁর কাজের ধারা অন্যসব মহান শিল্পীর মতোই প্রাঞ্জল কিন্তু গভীরজটিল। একবার দেখার পর ফিরে দেখার তৃষ্ণা তীব্র থেকে যায়।
-
সহিংসতাকে তিনি কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নয়, জাতিগত ঐক্য গঠনের মাধ্যম হিসেবেও দেখেছিলেন। তাঁর ভাষায়, হিন্দুরা মুসলমানদের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের মধ্য দিয়েই নিজেদের ‘হিন্দু’ হিসেবে চিনতে শিখেছে।
-
অতঃপর, এই ছবিগুলো প্রেত হয়ে বেঁচে আছে! এমনকি তিনি চলে যাওয়ার পরেও তারা ঘুরছে প্রেতের মতো চারধারে! স্রষ্টাকে খুন করে ছবি বেঁচে আছে! রঘু রাইকে চলে যেতে দিয়ে তাঁর উদ্বাস্তুরা আজো অস্বস্তিকরভাবে বেঁচে আমাদের চোখের সাামনে!
-
নবজাগরণকে শুধু সহজ-সরল প্রগতির ধারা হিসেবে নির্ণয় না-করে বরং এই জাগরণকে ঔপনিবেশিক বাস্তবতার দ্বন্দ্ব, যুক্তিবাদী চেতনার উন্মেষ এবং সমাজ-সংস্কারের অন্তর্গত টানাপোড়েনের আলোকে ব্যাখ্যাও করেছেন। ডিরোজিও'র চিন্তা-চেতনা ও মননশীলতার বাস্তব প্রতিভূ ছিলেন সফিউদ্দিন স্যার, তিনি ছিলেন আমাদের সময়কার ডিরোজিও।