সকালে ঘুম ভেঙে ভিখু দেখে অন্য এক জগৎ।... নতুন বেশ ও ভূষণে মাথার চুল আঁচড়ে ও সিঁথি সাজিয়ে সিঁদুর মেখে নতুন এক পাঁচী হয়ে উঠেছে সে। গ্রামবাংলার কোনো ভাদ্রবধূর মুখ কখনো দেখেনি ভিখু। ওর মনে হতে থাকে, ওকি সেই পাঁচী, যাকে সে স্বপ্নের ঘোরে একটা এক হন্দর শস্যের থলের মতো অনন্তকাল ধরে পিঠে বয়ে বেড়িয়ে চলেছে?
-
-
সে এক কঠিন ভাষা;/ যেখানে ছাই হল বিরামচিহ্ন/ আর/ শিখা পুনর্লিখনেরই আরেক নাম।
-
আমরা কি তবে শুধু কেবল কাচের পাশে ভ্রম? নাকি এই আয়নাটা পৃথিবীর গোপন কঙ্কাল?/ যেখানে থমকে আছে মহাকালে আদিম বিক্রম, / যেখানে অতীত আর ভবিষ্যৎ বুনে মায়াজাল। আয়নার আশ্চর্য জীবন যেন অনন্তের ধাঁধা ভেতরে আমরা সত্যি মুণ্ডুহীন নিয়তিতে বাঁধা।
-
ক্যামেরাটা আবার অ্যাঙ্গেলে এসে ঘুরে গেল, গলিতে ঢুকছে না। সামিউল অহেতুক ফোনের স্ক্রিন ঘোরায়, যেন গুগল ম্যাপ,—ক্লিক করে, ডানে–বাঁয়ে আরো চেপে ধরলে অনেকটা দেখে ফেলা যাবে। ... নদীটা দেখতে পাওয়া দরকার।
-
সেদিন তার মুখের দিকে উত্তরবাণ ছুঁড়ে দিয়েছিলাম :—রবির গালে য'গাছি চুল (চুল না-বলে চুলের হিন্দি প্রতিশব্দ ব্যবহার করেছিলাম) আছে, তারচেয়ে বেশি হবে তাঁর লেখা। আমি বড়োজোর তাঁর কোনও একটি লেখার সমালোচনা করতে পারব, কিন্তু তাঁর বিরোধিতা করা ও একবাক্যে খারিজ করার জ্ঞান আমার আজও হয়নি!