এভাবে ব্ৰহ্মাণ্ড-বিজ্ঞানকে কবিতায় আনলেন মাত্র কয়েকটি শব্দে। মানুষের চলাচলের তুলনায়। আমাদের জন্ম স্থিতি লয় মাত্র কয়েক বছরের। মহাবিশ্বের উপকরণের জন্ম স্থিতি লয় লক্ষ কোটি বছরের। সময়ের ব্যবধান থাকলেও জন্ম পরে যাত্রা যেন এক। সেই অকল্পনীয় চিন্তাচেতনায় কলম চালিয়েছেন জীবনানন্দ। সময়ের থেকে বহু বহু এগিয়ে থাকা নির্জনতম বলে আখ্যায়িত এক কবি।
-
-
কতদিন হয়ে গেল/ আমার শহর ঘুমায় না।/ রাত-গভীরেও/ জানালাগুলো খোলা রাখে,/ যেন কেউ হঠাৎ আসবে ফিরে।
-
সুরভি কিন্ত আমার জন্য ফাঁসি দেয় নাই ভাইজান।... মোজাম্মেল কিছু বলে না, আর তার ফর্সা মুখও অন্ধকারে দেখা যায় না। পাড়ার লোকজন আনাগোনা করে। গলির মোড়ে দুই ভাই চুপচাপ কারেন্ট আসার অপেক্ষা করে;—কেউ তাদেরকে চিনতে পারে না।
-
কারাগারের সবচেয়ে শক্ত জিনিস কি জানো? —লোহার দরজা? —না। —তাহলে কী? —তালা? —তাও না। সবচেয়ে শক্ত হলো তোমাদের মুক্তির ইচ্ছা। তালা ভাঙে, সেটা ভাঙে না! —কয়েদি মুচকি হেসে বলল,—তাহলে স্যার, আপনার চাকরিটাই বিপদে!
-
কবিতা কোনও ধর্মগ্রন্থ নয়— / তবু তার পাতায় পাতায়/ ঘুরে বেড়ায় অগণিত প্রশ্নের ছায়া।/ সে জানে—/ মানুষ প্রথম কবে/ আকাশের দিকে তাকিয়ে/ নিজের নিঃসঙ্গতার জন্য/ একটি পরিচয় খুঁজেছিল।