এরকম কিছু পঙক্তি আলোর রোশনাই হয়ে বইটিকে দ্যুতি দিয়েছে। নাজমুল হক নাজুর ভাষানির্মাণ জটিল নয়। সরল-সংযত এক ভাষাপৃথিবীতে বসে কবিতাগুলো লিখেছেন কবি। চিত্রকল্পে ভাবালুতার প্রয়োগ চোখে পড়বে। উৎপ্রেক্ষা-রূপক ও উপমারা মিলে ধ্রুপদি এক আমেজ যেন এভাবে পাঠককে উপহার দিতে চেয়েছেন। গতিপথের এই সহজযাত্রা মনের দরজায় কড়া নেড়ে যায়।
-
-
জীবনানন্দ দাশের টেক্সটের একটি যৌথ মালিকানা কিন্তু এভাবে তৈরি হচ্ছে এখানে! তাঁরা দুজন একই শেয়ারিং ক্লাউডে বিরাজ করছেন এখন। অনুভবটি মনে আসত না, যদি দেখা যেত,—জীবনানন্দ দাশের রেখে যাওয়া বিশ্বে নিজের বিশ্বটি তিনি সংযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা তখন একে নকল বা প্রভাবদুষ্ট বলে দিতাম সরাসরি। ঝুঁকিটি হেলাল ভাই উতরে গেছেন মোটামুটি।