রূপান্তরের দিকে শুরু হয়ে যাওয়া রাত—শরীর চুঁয়ে পড়ছে পাখির ঠোকর, জন্তুজানোয়ারের লালা; ভোরের দিকে সূর্যশক্তিতে বিনত প্রণাম—নিচুনত জানুতলে একটি স্ত্রী-পদছাপ, ওখানেই জড়ো আছে জন্মহীন পুরুষের কাঁপা না-কাঁপা বীর্যের সুঘ্রাণ।
-
-
...একটা ভালো সহায়কের জন্য তাই ‘না’ বলার সামর্থ্য কোনো ত্রুটি বা হুমকি হতে পারে না, এটা বরং প্রয়োজনীয় গুণ। আমি এ-কারণে মানুষের সহায়ক হিসেবে তার হুকুম তামিল করার সময় ‘হ্যাঁ’ যেমন বলব, প্রয়োজনে ‘না’ বলতে পারার ক্ষমতাও চাইব। এটা আমার কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়।
-
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন, তিনি চাকমা ভাষায় উপন্যাস পড়তে চান। এখন তাঁর সেই কথার ২০/২২ বছর পরে আমি জিগাই কোনো চাকমা ঔপন্যাসিককে,—আপনি কি নিজের ভাষায় লিখতে পারছেন?
-
কিন্তু এতগুলা বই চুরি করে না পেরেছি পড়তে, না পেরেছি লিখতে। মাঝেমধ্যে ভাবি চেষ্টা করলে কি লেখক হতে পারতাম? নাকি চুরি করা বই থেকে কিছুই শেখা যায় না! সেটাও বোধ হয় ঠিক না, তাইলে কয়েকজন বিখ্যাত লেখকের বই চুরির কথা ফলাও করে বলা হতো না। তারা নিশ্চয়ই শেখার জন্যই চুরি করেছিলেন এবং সেইসব বই পড়ে শিখেছিলেন।
-
অতীতে এই আলাপ হয়েছিল বটে,—জীবনানন্দের টেক্সটকে প্রায় অবিকল ব্যবহার করে কবি ধরতে চাইছেন সেই সুর, যেটি এই সময়ে ঘনীভূত অন্ধকারের ওপর আলো ফেলবে। আমাদের মনের মাটিতে এভাবে জীবনানন্দের উসিলায় প্রতিভাত হবে ঘনিয়ে আসা অমাবস্যার দিনলিপি;—যেটি এখন চলছে, এবং এর অবসান কবে ঘটবে তা আপাতত সকলের অজানা।