কোনো পুষ্প এখানে কী করে ফুটবে! কিছু ফুটবে না, বরং যেটুকুন একটু-একটু করে পরম মমতায় ফুটেছিল এতদিনে,—তারা সবে ঝরে যাবে! কে জানে আমরা হয়তো অচিরে কোনো পল্লী জনপদে শেষ একতারা, দোতারা বা সারিন্দা বাদককে দেখব,—বেচারা ধুঁকছে, শরিয়তি ইসলামের বরখেলাফ বাদ্যযন্ত্র বাজানোর অপরাধে!
-
-
অদ্ভুত! হাওরকে সুধীজনরা বা টেবিল ওয়ার্কাররা রূপকথার মিথ বানিয়ে ছাড়বেন দেখতেছি! বর্ষাকালে নাকি হাওর মাছে মাছে ভরে যায়! তাহলে হেমন্তকালে মাছেরা কোথায় উধাও হয়ে যায়?
-
অন্যদিকে, গ্রামীণ জীবনে ফসল রক্ষায় জমিনে ‘বিশকাঠি’ স্থাপন পহেলা বৈশাখের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। সাধারণত ‘খাগড়া’ দিয়ে এ-বিশকাঠি তৈরি হয়। নিয়মানুসারে খাগড়ার পাতা ভাঁজ করে গুটি বেঁধে কয়েকটি খাগড়ার মুষ্টি তৈরি করে জমিনে ও নদীতে নিশানের মতো পুঁতে রাখা হয়। কৃষিজীবীদের মাঝে যা শিলাবৃষ্টির রক্ষাকবজ বিবেচিত হয়ে থাকে।
-
গ্রামীণ জীবনে পহেলা বৈশাখ শুধুমাত্র উৎসবের আনন্দ নিয়ে আসে না, বরং জীবনের প্রাপ্তি /অর্জনের খেরোখাতা খুলে দেয়। মহাজনের সম্পদ নির্মাণে খাজাঞ্চিবাবুর শ্রম-ঘামের মূল্যায়ন আছে কি! এমন ব্যতিক্রম সমীকরণ নিয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণের বৈশাখের কবিতা—'খাজাঞ্চিবাবুর নববর্ষ'।
-
একধরনের কালচারাল ডোমিনেন্স এভাবে তৈরি হয় বুদ্ধ মূর্তিকে ঘিরে। তাঁর অবয়বকে আফ্রিকান রীতি মেনে তৈরি করা মানহানিকর বলে বিবেচনার যুগ শুরু হয়। এই বুদ্ধ এখন মঙ্গোলিয়াড মুখাবয়ব ধারণ করে হয়ে উঠলেন গোলাকার ও হৃষ্টপুষ্ট। গান্ধার রীতি মেনে বুদ্ধ মূর্তি গড়ার ধারাকে এভাবে নতুন ন্যারেটিভের নিচে খতম করে দেওয়া হলো কার্যত। যেটিকে পরে আর কোনোভাবে পাদপ্রদীপে আসতে দেওয়া হয়নি।