পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

পুষ্পকথা : ‘পারুল-জারুল’ দুই বোন : সুমন বনিক

Reading time 6 minute
5
(10)
‘একটি পারুল বোন আমি তোমার’

বাংলা ভাষায় আমরা যাকে পারুল বলি, সংস্কৃত ভাষায় বলা হয় পাটল বা পুলিলা, আবার সিংহলি ভাষায় বলে পল—আদতে সবই একই গাছের নাম। তবে, বাঙালির কাছে পারুল নামটিই পছন্দের শীর্ষে। তাইতো ‘সাত ভাই চম্পার’ পারুল বোনটির নাম আমরা আজও মনে গেঁথে রেখেছি। খ্রিষ্টীয় চতুর্থ/পঞ্চম শতকের সংস্কৃত সাহিত্যের মহাকবি কালিদাসও পারুল ফুল নিয়ে কাব্য রচনায় মুখরিত হয়েছিলেন, তবে তিনি পারুলকে পাটল নামেই অভিহিত করে পদ রচনা করেছিলেন। কালিদাসের বর্ণনায় পারুল এই অঞ্চলের প্রাকৃত তরু এবং এ-ফুল ফোটার সময়কে গ্রীষ্ম তথা নিদাঘকাল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাই, কালিদাসের ঋতুসংহার কাব্যের প্রথম সর্গের শেষ শ্লোকটিতে নিদাঘে যা যা সুখদায়ক তার মধ্যে পাটল স্থান পেয়েছে :

ভালো লাগে হিম-সলিলে সিনান, মধুর জোছনা যে কালে,
ফোটে শতদল, পাটল ফুলের গন্ধ লুটায় কাননে,
জ্যোৎস্নাপ্লাবিতা নিদাঘ-যামিনী সুললিত গীতগানে
নারীদের সাথে মহা-আনন্দে কাটুক কুসুমশয়ানে।

আবার আমরা কালিদাসের অভিজ্ঞান-শকুন্তলম্ নাটকের প্রথম অঙ্কে পারুলের একটি অসাধারণ বর্ণনা দেখি :

সুখকর এবে সলিলে গাহন পাটল ফুলের গন্ধ-মাখানো বায়ু,
তরুতলে ঘুম আসে সহজেই, মধু হয় দিন যতো শেষ হয় আয়ু।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গানে পারুলকে তুলে এনেছেন এভাবে—‘পারুলবনের চম্পারে মোর হয় জানা মনে মনে।’ এই গানে মনের গভীর কল্পনায় দূরদেশে হারিয়ে যাওয়ার আকুলতা ফুটে উঠেছে। কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানেও রয়েছে পারুলের নাম। সাহিত্যে পারুলের ছড়াছড়ি থাকলেও দেশের প্রকৃতিতে অনেকদিন ধরে পারুল ছিল অদেখা। পারুলের খোঁজ শুরু করেছিলেন প্রয়াত ওয়াহিদুল হক সংবাদে তাঁর লেখা ‘অথঃ পুষ্পকথা’ লেখাটিই পারুল অনুসন্ধানের সূত্র খুলে দিয়েছিল। সেই সূত্র ধরে পারুলের অনুসন্ধানে নামেন নিসর্গী দ্বিজেন শর্মা। সাহিত্যে গুঞ্জরিত বিলুপ্ত প্রায় পারুল ফুলকে খুঁজে বেড়ানো ও অবশেষে তাকে খুঁজে পাওয়ার কাহিনি প্রকৃতিপ্রেমী নাজমুল হুদা তাঁর ‘পারুল প্রেম’ বিষয়ক রচনায় সুন্দর তুলে ধরেছেন। নাজমুল হুদা লিখেছেন :

কিন্তু পারুল ফুল কি সত্যিই আছে!!? কেউ কি পারুল দেখেছেন? পারুল আছে কি নেই এ নিয়ে বিতর্কের যেমন শেষ নেই; তেমনি সবার উৎসাহেরও কমতি নেই। প্রয়াত ওয়াহিদুল হক একসময় দৈনিক সংবাদে ‘অথঃ পুষ্পকথা’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লেখেন। তখন থেকেই পারুল নিয়ে অনুসন্ধানের শুরু। দ্বিজেন শর্মা মস্কো থেকে ছুটিতে বাড়ি এসে সিলেটের পাথারিয়া পাহাড় থেকে স্থানীয়ভাবে পারুল নামে পরিচিত এমন একটি গাছের তিনটি চারা এনে ঢাকায় মহানগর পাঠাগার, শিশু একাডেমির বাগান ও রমনা পার্কে রোপন করেন। অপরদিকে নওয়াজেশ আহমদও পারুলের সন্ধানে নামেন। তিনি পারুলের খোঁজে শান্তিনিকেতনে গিয়েও ব্যর্থ হন। যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রকৃতিপ্রেমিক আমিরুল আলম খান বাংলাদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশসহ অনেক স্থানে খোঁজ করে অবশেষে লেখেন একটি বই ’বঙ্গে পারুল নেই’।

নাজমুল হুদার লেখা থেকে আরও জানা যায়, আমিরুল আলম খানের সিদ্ধান্ত নাকি স্বতঃসিদ্ধ হতে যাচ্ছিল প্রায়। নানাজন নানা জায়গায় ঘুরছেন হারিয়ে যাওয়া পারুলের সন্ধানে, কিন্তু পারুল তাঁদেরকে প্রতারিত করছিল। পারুলের সন্ধানে নেমে দেখা গেল ফুলটির সঙ্গে বেশ সাদৃশ্য রাখে, সেই ধারমারা জাতটিকে সবাই খুঁজে পাচ্ছেন, কিন্তু পারুলের নাই দেখা! নাজমুল হুদা নিজে অনুসন্ধানে নেমে ব্যর্থ ও প্রতারিত হচ্ছিলেন। অবশেষে পারুলের দেখা মিলে গজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত টাকশাল সংলগ্ন সংরক্ষিত এলাকায়। নাজমুল হুদার বিবরণ এখানে তুলে দিচ্ছি :

Parul Tree: Spot: Nearby Bangladesh Security Printing Press, Joydebpur, Gazipur; Image Source & Credit: nazmulhudablog

অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা অনেক আগেই বলেছিলেন, পারুলের সম্ভাব্য প্রাপ্তিস্থান শালবন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম। পারুল স্থানীয়ভাবে কামসোনালু এবং মান্দি আদিবাসীদের ভাষায় বটচিল নামে পরিচিত। এই কয়েকটি সূত্র ধরেই মূলত পারুলের সন্ধান অব্যাহত থাকে। পাহাড়ে যাই, শালবনেও খুঁজে বেড়াই। এরই মধ্যে বৃক্ষপ্রেমিক জায়েদ আমিন মেইল করে একটি ফুলের ছবি পাঠান। গাছতলায় পড়ে থাকা ঝরা ফুল। পেশায় ব্যাংকার এই মানুষটি বৃক্ষভক্ত। তাঁর পাঠানো ছবিটি দেখে গাছের অবস্থান জানতে চাই। শালবনের কথা শুনে আমার ধারণা আরও বদ্ধমূল হয়। ২২ এপ্রিল সকালে আমরা আবার গাছটি দেখতে যাই। গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসের স্কুল লাগোয়া মাঠের ধারে পাঁচটি গাছ ফুলে ভর্তি। সংরক্ষিত এলাকা বলেই সম্ভবত বেঁচে আছে গাছগুলো। ফুল কুড়িয়ে শুঁকে দেখি, বেশ সুগন্ধি। ফুলের গড়ন, রং, গন্ধ—সবকিছু পারুলের সঙ্গে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। ছবি তুলি। ফিরতি পথে জায়েদ আমিনকে বলি, ‘মনে হচ্ছে এটাই আমাদের পরম কাঙ্ক্ষিত পারুল!’

ঢাকায় ফিরে ছবি দেখাই দ্বিজেন শর্মাকে। পরের সপ্তাহে সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করেও দেখাই তাঁকে। একটি নমুনা পাঠানো হয় বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সরদার নাসির উদ্দিনের কাছে। সবকিছু দেখে তাঁরা ৯০ ভাগ নিশ্চিত করেন যে এটাই পারুল। বাকি ১০ ভাগ ফল দেখার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নাজমুল হুদা গাজীপুরের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে প্রায় নিশ্চিত পারুল ফুল দেখেছেন শেষাবধি। সম্প্রতি বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার কবিতায় ফুলটির পূর্ণাঙ্গ পরিচিতি ও তাঁকে খুঁজে পাওয়ার উল্লেখ আমরা পাই। কবিতাটি এখানে উৎকলন করছি :

পারুল

জয়দেবপুরে টাকশালের পাশেই পাটল ফুল,
পাটল নামটি কালিদাসের, বাংলাদেশে পারুল।

‘ঋতুসংহার’ কাব্যে পারুল গ্রীষ্মমায়ায় ফোটে,
জোছনাভরা নিশিরাতেও পারুলসুবাস জোটে।

পাটল কিংবা পুলিলা বা সিংহলীতে পলল,
পূর্ণচাঁদের ধবলরাতে গন্ধ বিলায় অমল।

চারচারটে পাটল তরু দাঁড়ায় আজো টাকশালে,
মধুপুরের বনে-মনে ফোটে বটে সবকালে।

রবীন্দ্রনাথ কাজী নজরুল পারুলগন্ধে টাল,
কবি-ভেষজবিজ্ঞানী চায় থাকুক পারুলকাল।

দ্বিজেন শর্মা ওয়াহিদুল হক নওয়াজেশও হাসে
বাংলামায়ের সব বাঙালি পারুল ভালোবাসে।

পারুল তুমি পলিবঙ্গের সব বাগানে আসো,
ফুলপাখি আর মানুষপ্রাণীর বুকে-মুখে হাসো।

. . .

কবি নূরুল হুদার বিবরণে নাজমুল হুদার বিবরণে পাওয়া জয়দেবপুরের পাশাপাশি মধুপুর শালবনে পারুল ফোটার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। পারুল ফুলের গাছ সত্যি সেখানে আছে কি-না সেই বিষয়ে অবশ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসুন, সাহিত্যে সরব ও আমাদের চারপাশ থেকে বিরল হয়ে যাওয়া ফুলটির বংশ পরিচয় জেনে নেই :

Parul Flower; Spot: Nearby Bangladesh Security Printing Press, Joydebpur, Gazipur; Image Source & Credit: nazmulhudablog

পারুল শুষ্ক থেকে আর্দ্র পাতাঝরা বনের গাছ। আদি নিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া। ইংরেজি নাম Fragrant Padri-tree বা Yellow Snakeroot, উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Stereospermum cheloniodes ও গোত্র বিগ্নোনিয়েসি। মাঝারি আকারের পাতাঝরা প্রকৃতির বৃক্ষ। শীতে গাছগুলোর সব পাতা ঝরে যায়, বসন্তে পাতা গজায়। ফুল উভলিঙ্গী ও সরু বোঁটাযুক্ত বাঁকানো ফানেলাকৃতি, পাপড়ি গাঢ় বেগুনি থেকে গোলাপি ও সুগন্ধযুক্ত, ভেতরের অংশ হলদেটে, পুরুষ কেশর চারটি, স্ত্রী কেশর একটি। পারুল ‘Bignoniceae’ পরিবারভুক্ত। বর্তমান বৈজ্ঞানিক নাম ‘Stereospermum cheloniodes’। পূর্বের বৈজ্ঞানিক নাম ‘Stereospermum suaveolens’। ইংরেজি নাম ‘Trumpet’। পারুলের আদি নাম পাটল। পাটল একটি রঙের নাম। পাটল থেকে পাড়ল-পারল-পারউল-পারুল এ পরিবর্তীত হয়েছে। পারুল পরিবারের বিভিন্ন রকম ফুলের অস্তিত্ব রয়েছে বলে বৃক্ষ গবেষকদের অভিমত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রক্ত পারুল, পিত পারুল, ঘণ্টা পারুল ও লতা পারুল। বিভিন্ন রকমের পারুল ফুলের দেখা মিললেও পারুল ফুল বৃক্ষের দেখা পাওয়া খুব একটা সহজ নয়!

সলিল চৌধুরীর পারুল বোনটি আজ কেমন আছে—আমার জানা নেই। তবে প্রকৃতির শোভাবর্ধনে পারুল ফুলের সৌন্দর্যে আমি বিমোহিত। পারুল বোনটির আকুতি শুনে আজও প্রাণ খুলে গাইতে ইচ্ছে করে :

সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে
ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমেরই ঘোরে
একটি পারুল বোন আমি তোমার
আমি সকাল সাঁঝে শত কাজের মাঝে
তোমায় ডেকে ডেকে সারা
দাও সাড়া গো সাড়া ।।

. . .

Jarul Flower; Image Source & Credit: Gacher kotha Fuler kotha FB Page
বাংলার চেরি জারুল

জারুল এ-দেশের প্রকৃতির অপরূপ অন্তরঙ্গ গাছ। জারুলের আদি নিবাস চীন, মালয়,বাংলাদেশ ও ভারতের জলাভূমি অঞ্চল। তাই, বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলে জারুলের উজ্জ্বল উপস্থিতি আমাদের সৌন্দর্য পিপাসু মনকে আকৃষ্ট করে। মূলত, এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রজাতির উদ্ভিদ। জারুল মধ্যমাকৃতির পত্রমোচী বৃক্ষ। ম্লানধূসর মসৃণ কাণ্ডবিশিষ্ট জারুল ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। এর পত্র বৃহৎ, ৬-৮ ইঞ্চি দীর্ঘ, আয়তাকৃতির মসৃণ ও দেখতে গাঢ় সবুজ। এর পাতার পিঠের রং ঈষৎ ম্লান। এর পত্রবিন্যাস বিপ্রতীপ। মঞ্জরী অনিয়ত, শাখায়িত, বহুপৌষ্পিক ও প্রান্তিক।

জারুল ফুলের বেগুনি বর্ণ যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি শোভন-সুন্দর তার পাঁপড়ির নমনীয় কোমলতা। ছয়টি মুক্ত পাঁপড়িতে গঠিত এর ফুল। যদিও এর রং বেগুনি, তবুও অনেক সময় এর রং সাদার কাছাকাছি এসে পৌঁছায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম লেজারস্ট্রমিয়া স্পেসিওজা। নামটির প্রথমাংশ এসেছে সুইডেনের অন্যতম বৃক্ষ অনুরাগী লেজারস্ট্রমের নাম থেকে। বাংলাদেশে গ্রীষ্মের শুরুতে জারুল ফুল ফুটতে থাকে। শরতেও তার দেখা মিলে। একটা সময় গ্রাম-গঞ্জে, নদীর ধারে হাওরাঞ্চলে জারুলগাছ দেখা যেত। এখন জারুলগাছের আর সেই প্রাচুর্য নেই।

জারুল ফুলের সৌন্দর্যে বিমোহিত বাংলার কবিকূল। জীবনানন্দ দাশের কাব্য সুষমায় জারুল ফুল উঠে এসেছে বারবার। রূপসী বাংলার কবিতায় জারুল ফুল গ্রামবাংলার প্রকৃতির অপরূপ শোভা ও বিষণ্ণ সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে ধরা দিয়েছে। জারুলকে কবি প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখেছেন। গ্রীষ্মের দুপুরে এর বেগুনি রঙের থোকা থোকা ফুল ও নদীপাড়ের নিসর্গ বর্ণনায় তুলে ধরেছেন জারুল ফোটার মনোরম দৃশ্য। রূপসী বাংলার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি-বর্ণনায় কবি লিখছেন :

এই পৃথিবীর এক স্থান আছে—
সবচেয়ে সুন্দর করুণ
সেখানে সবুজ ডাঙ্গা ভরে আছে—
মধুকুপী ঘাসে অবিরল;
সেখানে গাছের নাম: কাঁঠাল,
অশ্বত্থ, বট, জারুল, হিজল;

দুপুর ও নদীপাড়ের নির্জনতার সাথে জারুলকে একাকার হতে দেখে কবি লিখেছেন :

ভিজে হয়ে আসে মেঘ—
এ-দুপুর; চিল একা নদীটির পাশে,
জারুল গাছের ডালে বসে বসে
চেয়ে থাকে ওপারের দিকে।

জীবনানন্দের চোখে জারুল শুধু একটি ফুল নয়,বরং এটি বাংলার চিরায়ত রূপ, নিস্তব্ধতা ও করুণ সৌন্দর্যের এক অনন্য চিত্রকল্প। কবি আহসান হাবীব তাঁর স্বদেশ কবিতায় জারুল ফুলকে তুলে এনেছেন এভাবে :

মনের মধ্যে যখন খুশি
এই ছবিটি আঁকি
এক পাশে তার জারুল গাছে
দুটি হলুদ পাখি,

জারুল ফুলকে বলা হয় বাংলার চেরি। সৌন্দর্য পিপাসু বাঙালির হৃদয়জুড়ে জারুল পারুল-সহ বহুবর্ণিল ফুলের সমাহারে দ্যুতিময়। বাঙালির আনন্দ উচ্ছ্বাসে, দুঃখবোধের বেদনায় অনন্য অনুষঙ্গ জারুল-পারুল দুই বোন।
. . .

Jaruler Phule Dole Dole Bhromora; Ekok Dohar; Source: Star Manch YTC

. . .

… থার্ড লেন স্পেস-এ সুমন বনিকের অন্যান্য লেখা পাঠে এখানে চাপুন …

লেখক পরিচয় : সুমন বনিক : ওপরের ছবি অথবা এই লিংক চাপুন

. . .

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 10

No votes so far! Be the first to rate this post.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *