হ্যারল্ড রশীদের ছবি স্পিরিচুয়াল ক্যাথারসিসে গমন করতে অভ্যস্ত। দুই-একটি বাদ দিলে সবগুলো ছবি যে-কারণে পরস্পরের প্রতিধ্বনি। একটা লোকের মনোজগৎকে প্রতিভাসিত করছে তারা। আঁকার গুণে যা আবার কেবল তার নিজের থাকেনি। দর্শককে ওই জগতে ঢুকিয়ে নিচ্ছেন হ্যারল্ড। তাঁর আঁকা জগৎ-ফাঁদে দর্শক বন্দি বটে! আমাদের শিরদাঁড়ায় একটা স্পাজম টের পাইয়ে দিচ্ছে এই লোক!
-
-
ক্রীড়া গবেষণার ভিত সবল না-হলে ক্রীড়াসাহিত্য একটা দেশে কখনো মজবুত হয় না। আমাদের এখানে ফুটবল, ক্রিকেট থেকে আরম্ভ করে অন্য খেলায় যেসব ঘটনা ও চরিত্রদের এ-পর্যন্ত পাচ্ছি, এসব নিয়ে মনে রাখার মতো রচনায় তাই ঘাটতি অনেক। খেলাকে ঘিরে আবর্তিত সমাজ-মনস্তত্ত্ব অনুসন্ধানের তাগিদ গড়ে ওঠেনি। রসেবশে সরস রচনার খামতি যে-কারণে আফসোসের তালিকা দীর্ঘ করে যায়।
-
রোনালদোর অভিধানে এরকম মেসিতে মসিময় ‘আবেগ’ দর্শক কখনো দেখেছে বলে আমার অন্তত অজানা। ‘আবেগ’কে সম্ভবত ভিতরে গুম করে মাঠে নামে সিআর সেভেন। নিজের স্ট্রাগলকে পারতপক্ষে সামনে আনে না। মুখের রেখা দেখে বোঝার উপায় থাকে না এই লোকটা মাঠে খেলতে নেমে চোখের আসু কবে বা কোনোদিন মুছেছিল কি-না!
-
ডেভিড হকনির এই রং কিন্তু অপ্রাকৃতিক লাগে দেখে! আমাদের দেখা রংয়ের মতো নয়। হতে পারে, ওটাই প্রকৃত রং আসলে! যা কেবল আঁকিয়েরা দেখতে পায়। হকনি স্মরণে থাকবেন, এবং তা এজন্যও,—তাঁর কাজের ধারা অন্যসব মহান শিল্পীর মতোই প্রাঞ্জল কিন্তু গভীরজটিল। একবার দেখার পর ফিরে দেখার তৃষ্ণা তীব্র থেকে যায়।
-
নতুন পরিবেশনায় ‘লঞ্চ চলে ধীরে ধীরে’ শ্রবণের ক্ষণে আতকা এই ভাবনা উদয় হলো মনে,— আচ্ছা, গানটির বয়স কত হতে পারে? গানে সরাসরি ‘লঞ্চ’ ও ‘মোটরকার’-এর রেফারেন্স এসেছে। তো এই হিসাবে এর বয়স দেড়শো থেকে দুশো বছরের বেশি হওয়ার কথা নয়। সবদিক বিবেচনায় নিলে বয়স আরো কমে আসার সম্ভাবনা থাকছে।