জানি হাঁটারও একাগ্রতা আছে। তারপর ভাবছি যতগুলো মুখ দৃষ্টির জালে ওঠে, ততগুলো কবিতায় না জাগালে ক্ষতি নেই! চোখের পাশে দাঁড়ানো আর নিজের ভেতর নিজেকে তাড়ানো কখনো একই আবর্তে আসে না;—যদি না স্পর্শ থেকে তৃপ্তি আসে...
-
-
At the end, Rafu, by now a very old man living on the memories and recorded by someone, could not believe that the story he had processed was his own. He was uncertain about the mysteries of his endured life.
-
কেন এই হঠাৎ শিউরে ওঠা? না, এ-কোনো অর্থ খোঁজা নয়; এমনকি পরিত্রাণের গূঢ় কোনও অভিসন্ধিও নয়; ভেতরে ভেতরে প্রতিনিয়তই-গর্জে-ওঠা-যে-মানুষ মানুষের মধ্যে থাকে, তারই এই চড়াই-উতরাই তারই এই বিষ। জানি না কতদিন আর... কত’কত’কত’ কত’ মূহূর্তের পর গা’কে আমরা বুঝে উঠবো!
-
পেইনটা এখানে-যে,—নিজের গঠন ও অবয়বে হোটেলটি যেসব পূর্বস্মৃতি বা পূর্বজন্মের অনুভূতি সরবরাহ করছে, সেখানে কোনো বাছবিচারের জায়গা নেই। ভালোমন্দ সবটাই হোটেলে ঘূর্ণির মতো ঘটে চলে। এমন এক ফাঁদ এই হোটেল, যেখানে প্রবেশের পর বেরুনোর পথ খুঁজে পায় না কেউ! হোটেলটি হয়ে ওঠে ভূতুড়ে ও রহসময়! জীবন সেখানে স্পন্দিত, কিন্তু তা কি জীবন, নাকি জীবনের মিম?—প্রশ্নের উত্তরটা ঝাপসাই থাকে গানে!
-
একটু পরেই অসিতরা শুনে দুটি নয়, এখন কেবল একটি বাঁশির সুর ভেসে আসছে। অকল্পনীয় সে সুরসুধা পলেপলে জীবনকে তুচ্ছ করে। পতঙ্গের মতো পুড়ে মরতে সাধ জাগায়। সেই সুরের গভীর মন্ত্রণায় চারপাশের সব জড়-জীব যেন নৃত্য শুরু করেছে।